বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
স্টাফ রির্পোটার: রাজশাহী নগরীর কুমারপাড়ার এই ধ্বংসস্তুপে এক সময় ছিলো মহানগর আওয়ামী লীগের দোতলা অফিস। শত শত মানুষের পদভারে সরগরম থাকতো অফিসটি। ছাত্র জনতার আন্দোলনে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ অফিসে আগুন দেয় বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা। ভাংচুর করা হয়। এরপরও অফিসটি ক্ষতচিহ্ন নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলো এতোদিন। ইনকিলাব মঞ্চের আহবায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবরে বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে আবারো রাস্তায় নেমে আসে দেশপ্রেমিক ছাত্র জনতা। রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত তারা নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে জড়ো হয়ে হাদি হ*ত্যা*র বিচার দাবিতে স্লোগান দেন। পরে তারা ফ্যাসিবাদের চিহ্ন নিশ্চিহ্ন করতে রাত সাড়ে ১২টার দিকে এসকেভেটর নিয়ে আসে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের অফিস মাটির সাথে গুড়িয়ে দিতে। ভোর চারটার মধ্যে মাটির সাথে মিশে দেয়া অফিস আওয়ামী লীগ অফিস।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার ফেসবুকে লেখেন, ‘রাজশাহীবাসী ভারতীয় আধিপত্যবাদ আর আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আবার জুলাই নামাতে হবে। গুঁড়িয়ে দিবো আওয়ামী দূর্গ। সবাই আলুপট্টি আওয়ামী অফিসের সামনে চলে আসেন এখনই। রাবিয়ানরা ‘জোহা চত্বরে’ চলে আসেন সবাই, এখান থেকে আমরা যাবো। বুলডোজার যারা পারেন ব্যবস্থা করে আনেন প্লিজ।’