বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
স্পোর্টস ডেস্ক: মিরপুরে নিজের ক্যারিয়ারের শততম টেস্টটি স্মরণীয় করে রাখলেন মুশফিকুর রহিম। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে আগেই ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছিলেন। এবার দ্বিতীয় ইনিংসে ফিফটি করে স্পর্শ করলেন অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি রিকি পন্টিংয়ের এক বিরল রেকর্ড।
ক্রিকেটের ইতিহাসে শততম টেস্টে দুই ইনিংসে যথাক্রমে সেঞ্চুরি ও ফিফটি (বা তার বেশি রান) করা বিশ্বের মাত্র দ্বিতীয় ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। এতদিন এই কীর্তিটি এককভাবে রিকি পন্টিংয়ের দখলে ছিল। ২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিজের শততম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১২০ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ১৪৩ রান করেছিলেন পন্টিং। শততম টেস্টের দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করা একমাত্র ব্যাটার তিনিই।
প্রায় ১৯ বছর পর পন্টিংয়ের সেই রেকর্ডের পাশে নিজের নাম লেখালেন মুশফিক। প্রথম ইনিংসে ১০৬ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি অপরাজিত ছিলেন ৫৩ রানে। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ইনিংস ঘোষণা করায় পন্টিংয়ের মতো দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির সুযোগ হয়তো পাননি মুশফিক, তবে অপরাজিত ফিফটিতেই নিজের শততম ম্যাচটি রাঙিয়ে নিলেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল।
ইতিহাসে এখন পর্যন্ত শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেছেন মোট ১১ জন ব্যাটার। তাদের মধ্যে মুশফিকসহ মাত্র ৪ জন দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছেন। বাকিদের মধ্যে পাকিস্তানের ইনজামাম-উল-হক অপরাজিত ৩১ এবং ইংল্যান্ডের জো রুট ৪০ রান করেছিলেন। অর্থাৎ, পন্টিংয়ের পর মুশফিকই একমাত্র ব্যাটার যিনি এই মাইলফলকের ম্যাচে দুইবারই পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস খেললেন।
শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করা বাকি সাত ব্যাটার-কলিন কাউড্রি, জাভেদ মিয়াঁদাদ, গর্ডন গ্রিনিজ, অ্যালেক স্টুয়ার্ট, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা ও ডেভিড ওয়ার্নার দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাননি। এদিকে মুশফিকের রেকর্ডের দিনে আয়ারল্যান্ডের সামনে ৫০৯ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ১১২ রান তুলতেই ৩ উইকেট হারিয়েছে আইরিশরা। জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন আরও ৩৯৭ রান।