পানের ব্যাপক দরপতন মাথায় হাত পানচাষীদের

মাহফুজুর রহমান প্রিন্স, বাগমারা: বাগমারা ও আশেপাশের এলাকার পান দেশের চাহিদা মিটিয়েও মধ্যপ্রাচ্য সহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানী হয়ে থাকে। জিআই পণ্য হিসাবে পানের নাম থাকলেও সঠিক মুল্য ও বাজার মুল্য পাচ্ছে না পানচাষীরা। আষাঢ় মাসের শুরু থেকেই প্রতি ৩২ বিড়া মোটা পানের দাম ছিল গত দুই সপ্তাহে আগে ৫৫০০ থেকে ৬০০০ টাকা। বতমানে ২৫ শ হতে ৩ হাজার দরে বিক্রি হচ্ছে এসব পান।
এছাড়া মাঝারি পানের দাম ১ হাজার হতে ১৫ টাকা ও ছোট পানের ক্রয় বিক্রিয় নেই বলে জানিয়েছেন পানচাষীরা।
অপরদিকে আড়ৎদারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পানের দামের জন্য প্রতিদিন ৫ হাজার হতে ১০ হাজার টাকা লস হচ্ছে তাদের। তারপরও ব্যবসা টিকিয়ে রাখার স্বার্থে তারা আড়ৎ পরিচালনা করছে যাচ্ছেন।
তাহেরপুরের আড়ৎদার রুবেল হক জানান, বিশ বছর ধরে পানের ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। এবারের মতো এতো দর পতন এর আগে কখনও হয়নি। প্রতিদিন সর্বনিম্ন ৫ হাজার টাকা লস গুনতে হচ্ছে।
তাহেরপুরের পানচাষি মিজানুর রহমান জানান, একদিকে পানের ব্যাপক দরপতন তার উপর অতিবৃষ্টি ও আবহাওয়া জনিত কারণে পানপাতা হলুদ বর্ণ ধারন করায় এসব পানের মূল্য পাওয়া যাচ্ছে না। আড়তে নিয়ে গেলে বিক্রি না হওয়ায় তা ফেলে দিতে হচ্ছে। তার মতে, পান নিয়ে এত বিড়ম্বনা আগে কখনও হয়নি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুর রাজ্জাক জানান, বাগমারায় ১৭শ হেক্টর জমিতে পানের আবাদ রয়েছে। এই এলাকার মিষ্টি পান দেশে ও বিদেশে খ্যাতি রয়েছে। এই সময়ে আবহাওয়া জনিত কারণে পান গাছে নানান মড়ক দেখা দিতে পারে। এ জন্য পান চাষীদের সচেতন হতে হবে।
এখানে পান পাতা দেখে ওষধ নির্ধারন করতে হবে। পান গাছের যে কোন সমস্যার জন্য স্থানীয় কৃষি অফিসে যোগাযোগের পরামর্শ দেন।


প্রকাশিত: জুন ২৬, ২০২৫ | সময়: ৪:১৩ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ