পবার গ্রামে মেরে ফেলার হুমকীসহ লুটপাটের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর পবা উপজেলার সিন্দুরকুসুম্বী চন্দ্রপুকুর গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের বাড়িতে ঢুকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকীসহ লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে মেট্রোপলিটন ম্যাজিঃ এয়ারপোর্ট থানার আমলী আদালত, রাজশাহীতে মামলা হয়েছে।
মামলা থেকে জানা যায়, আসামীদের সাথে বাদির জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সিন্দুরকুসুম্বী চন্দ্রপুকুর (ডালাপুকুর) গ্রামের মো. সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালায় ও লুটপাট করা হয়। আসামীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গত ১৭ ডিসেম্বর এ হামলা ও লুটপাট করে। বাদি পক্ষের লোকেরা প্রাণের ভয়ে একঘরে বন্ধ করে আশ্রয় নেই। দরজা না খুললে আসামীরা অন্যান্য ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে। আসামীরা বাক্সের তালা ভেঙ্গে নগদ ৫০ হাজার টাকাসহ একলাখ পঁচিশ হাজার টাকা মূল্যের একভরি ওজনের স্বর্ণের চেন, ৩০ হাজার টাকা মূল্যের পিতলের কলস, কাঁসার থালা-বাটি নিয়ে যায়। এছাড়াও ভাংচুরে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ক্ষতি হয়। হাসুয়া হাতে আসামী চন্দ্রিমা থানা এলাকার খড়খড়ি বাইপাসের নওশাদ আলীর ছেলে মো. রিপন তাদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বলেন, তিনি ৫ মামলার আসামী তোদেরকে মেরে আবারো আসামী হবেন।
এব্যাপারে ২২ডিসেম্বর সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী মো. হামিদা খাতুন বাদি হয়ে ৭ জনকে আসামী করে মেট্রোপলিটন ম্যাজিঃ এয়ারপোর্ট থানার আমলী আদালত, রাজশাহীতে মামলা করেন। মামলার আসামীরা হলেন, সিন্দুরকুসুম্বী চন্দ্রপুকুর (ডালাপুকুর) গ্রামের মৃত বশির উদ্দিনের ছেলে মো. তাসির উদ্দিন, তাসির উদ্দিনের স্ত্রী মেহের নেগার, মৃত আসির উদ্দিনের স্ত্রী রেহেনা, ছেলে রহিদুল, মহাসিন আলীর স্ত্রী নুর জাহান, শওকত আলীর রশিদা খাতুন ও চন্দ্রিমা থানা এলাকার খড়খড়ি বাইপাসের নওশাদ আলীর ছেলে রিপন।


প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৯, ২০২৪ | সময়: ৪:৫৫ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ