, , ।
স্টাফ রিপোর্টার, বাগমারা: জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যাকুৎসা রটানোর প্রতিবাদ করায় রাজশাহীর বাগমারায় বোরহান উদ্দীন ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেছেন বিএনপির কর্মী আতিক হাসান। ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার ঝিকরা ইউনিয়নের গুনিয়াডাঙ্গা তেতুঁল তলা মোড়ের চায়ের দোকানে। ওই ঘটনায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে বাগমারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন আতিক হাসান। তবে বোরহান উদ্দীন তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং উল্টো তার উপর হামলার অভিযোগ করেন তিনি।
থানার লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর বেলা এগারোটার দিকে আতিক হাসান তার ব্যবসায়ী কাজের জন্য গুনিয়াডাঙ্গা গ্রামের তেতুঁলতলা মোড়ে যান। সেখানে একটি চায়ের দোকানে চা পান করার সময় হঠাত একই এলাকার বোরহান উদ্দীন তার লোকজন নিয়ে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার উপর হামলা চালায়। তাদের হামলায় আতিক হাসান মারাত্মক আহত হন।
স্থানীয় লোকজন আতিক হাসানকে উদ্ধার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। সুস্থ হয়ে তিনি বাড়িতে ফিরে এসে উপরোক্ত ব্যক্তিদের আসামী করে বাগমারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগকারী আতিক হাসান জানান, অভিযোগের পর পরই ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতার নির্দেশে গুনিয়াডাঙ্গা গ্রামের বোরহান উদ্দীন, মাসুদ রানা, সোহেল রানা, মিঠুন, জুয়েল রানা, জাহিদ হোসেন, আব্দুল মতিন সহ বেপোয়ারা হয়ে উঠে। তারা সংঘবদ্ধ হয়ে একই এলাকার আসাদুল ইসলাম, সিদ্দীকুর রহমান ও আশরাফুল ইসলাম দুলালের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা তার বৃদ্ধ বাবাকে মারধর করে। হামলাকারীদের ভয়ে এখনো বাড়িতে ফিরতে পারছে না অভিযোগকারী আতিক হাসান সহ তার লোকজন। তারা বাড়িতে ফিরতে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্য সহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত বোরহান উদ্দীন বলেন, তারাই আমাকে মেরে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। বর্তমানে আমি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছি। তাদের বাড়িঘরে হামলা বা ভাংচুরের বিষয়ে তিনিই কিছুই জানেন না বলে জানান।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য থানার এক পরিদর্শককে দায়ীত্ব দেয়া হয়েছে।