, , ।
শাহজাদপুর প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের গাড়াদহ ইউনিয়নের চরনবিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কবিরুদ্দিন এর বিরুদ্ধে নারীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটকের অভিযোগ উঠেছে।
একজন শিক্ষক কর্তৃক নারী গঠিত বিষয় ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় সমালোচনার ঝর উঠেছে। ওই শিক্ষকের অপসারণ দাবি উঠেছে। ঘটনা সত্য হলে ওই শিক্ষকের কাছে কেউই নিরাপদ নয় বলে মনে করছে সচেতন মহল। স্থানীয়সুত্রে জানা যায়, গত ২০ সেপ্টেম্বর (রোববার) রাতে উক্ত বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক চরনবিপুর গ্রামের বাসিন্দা কবিরুদ্দিন একটি নারী নিয়ে পাশের টেকুয়াপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে গভীর রাতে ধরা পড়ে। এসময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে বেঁধে রাখে। পরে কবিরুদ্দিনের গ্রামের প্রধানবর্গ গিয়ে দেনদরবার করে ওই গ্রাম থেকে মুক্ত করে আনে। বিষয়টি জানা জানি হলে, সমালোচনার ঝড় উঠে।
টেকুরপাড়া গ্রামের স্থানীয়রা জানায়, রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে ওই শিক্ষককে টেকুয়াপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে নারীর সাথে উপস্থিতি টের পেয়ে স্থানীয়রা আটক করে উত্তমমধ্যম দিয়ে বেধে রাখে। পরে কবিরুদ্দিন এর নিজ গ্রামের প্রধানবর্গ টেকুয়াপাড়া গ্রামে গিয়ে সেখানকার প্রধানবর্গের সাথে দেনদরবার করে এবং ওই শিক্ষক এমন কর্মকান্ড আর কখনোই করবে না এবং ওই শিক্ষককে দিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করিয়ে সেখান থেকে মুক্ত করে নিয়ে আসে। তবে এবিষয়ে সহকারী শিক্ষক কবিরুদ্দিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন তাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য তার বিরুদ্ধে এসব ছড়ানো হচ্ছে।
চরনবিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা দরকার। তদন্ত করে অভিযোগ প্রমানিত হলে ব্যাবস্থা নেওয়া দরকার। এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুরাদ হোসেন বলেন, সহকারী শিক্ষা অফিসারকে তদন্তের দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে অভিযোগ প্রমানিত হলে অবশ্যই ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।