, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: সীমান্তবর্তী এলাকার বেকার যুবক-যুবতীদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালনবিষয়ক প্রশিক্ষণ দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি)-এর ব্যবস্থাপনায় গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকার ২০ জন বেকার যুবক-যুবতী এ প্রশিক্ষণে অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে মাটিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার। এ সময় প্রেমতলী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মাকসুদুর রহমান, বিদিরপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার খন্দকার আব্দুল হাই, রাজাবাড়ি যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী অসহায় ও দরিদ্র মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বিজিবি। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্ত এলাকার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে ‘সীমান্ত কারিগরি ও কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’-এর আওতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
গত ২৩ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা প্রশিক্ষণে ২০ জন যুবক-যুবতী গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালনের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেন। স্বল্প পুঁজি ও স্বল্প পরিসরে এসব পালন করে কীভাবে আয় করা যায়, সে বিষয়ে তাঁদের প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতা দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার বলেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী বেকার যুবকদের বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তাঁরা নিজেদের বাড়িতে স্বল্প পুঁজিতে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালন করে আয় করতে পারবেন। এতে পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পুষ্টির চাহিদা পূরণেও তাঁরা ভূমিকা রাখতে পারবেন।
তিনি বলেন, সীমান্তবর্তী যুবসমাজকে চোরাচালান ও মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দূরে রেখে কর্মমুখী ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে তরুণরা পরিবার ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারবেন।
বিজিবি জানায়, সীমান্তবর্তী তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালনা এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।