, , ।
সানশাইন ডেস্ক: বিচার বিভাগকে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াকে আরো উৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, এ লক্ষ্যে আইনগত সংস্কার আনতেও সরকার প্রস্তুত।
একই সঙ্গে সরকার সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধনের বিষয়টি বিবেচনা করছে তুলে ধরে তিনি বলেন, “এই আইনের মাধ্যমে বাবা-মা জীবদ্দশায় সম্পত্তি হস্তান্তর করেও ভোগদখলের অধিকার সংরক্ষণ করতে পারবেন, যা পারিবারিক বিরোধ ও অপ্রয়োজনীয় মামলা কমাতে সহায়ক হবে।” বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী বক্তব্য রাখছিলেন।
বিচার বিভাগকে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াকে আরো উৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “বিচারাধীন উপযুক্ত মামলাগুলো মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হলে আদালতের ওপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। “এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত সংস্কার আনতেও সরকার প্রস্তুত।” সম্পত্তি-সংক্রান্ত দেওয়ানি মামলার সংখ্যা কমাতে সরকার সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধনের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে, বলেন তিনি।
আইনগত সহায়তা পাওয়া প্রতিটি নাগরিকের অধিকার, এ কথা তুলে ধরে আসাদুজ্জামান বলেন, “আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কেউ যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যে সরকারি লিগ্যাল এইড কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। “এ কাজে গণমাধ্যম, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
মামলার জট কমানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর-ডিবিএলএর সঙ্গে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট-ব্লাস্ট এবং ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা (সেল্প) কর্মসূচির সঙ্গে পৃথক দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়েছে।
এ অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী বলেন, “মামলার জট নিরসনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে আইনি সহায়তা ও মধ্যস্থতা কার্যক্রম পরিচালনাকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্ব গড়ে তোলা হয়েছে।”
অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এসএম এরশাদুল আলম ও মো. খাদেম উল কায়েস, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মনজুরুল হোসাইন, ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনগত সুরক্ষা কর্মসূচি (এসইএলপি) ও জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক শাশ্বতী বিপ্লব, ব্লাস্টের অবৈতনিক নির্বাহী পরিচালক সারা হোসেন।