মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
ইমাম হোসেন, সানশাইন:
রাজশাহীর পুঠিয়ায় ধর্ষণ মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীরা সংবাদ সম্মেলন করেছে।মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল সাড়ে ১১ টার সময় ওই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় নারী-পুরুষরা মামলা করা ওই নারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তারা ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় এলাকার নারী পুরুষরা উপজেলার ধোপাপাড়া, কারিকরপাড়া এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে অনৈতিক কাজ করার অভিযোগ তোলা ওই নারীর দায়ের করা মামলা হতে, বিচারের দাবিতে এবং ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহারের দাবি করেন তারা। পরে বিক্ষোভ করতেও দেখা যায় তাদের।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তি বলেন, নলডাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় বাসা বাড়ি ভাড়া নিয়ে মাদক ও দেহ ব্যবসা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের কারিগর পাড়া এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে অনৈতিক কাজ করার সময় এলাকাবাসী হাতেনাতে ধরে ফেলে। পরে স্থানীয় নেতৃবৃন্দরা সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহা করে দেয় ও দুই পরিবারের অভিভাবকদের কাছে দুজনকে তুলে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ওই সালিশটি ওই নারীর পছন্দ না হওয়ায়, পাঁচ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যে ধর্ষণ মামলা দেন তিনি। আমরা ওই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাই।
পাশের বাড়ির ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সোনিয়া বেগম বলেন, ওই মহিলা একাই বাসায় থাকে। আর বিভিন্ন পুরুষ মানুষ ওই বাড়িতে যাওয়া আসা করে। পরে একজন অপরিচিত ছেলে সহ ওই নারীকে উলঙ্গ অবস্থায় স্থানীয় এলাকাবাসী ধরে ফেলে। ওই ছেলেকে তার গার্জিয়ানরা নিয়ে যায়, এবং ওই নারীকে, নারীর লোকজন এসে নিয়ে যায়।
ওই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া মুরাদ হোসেনের স্ত্রী রাশেদা বেগম বলেন, আমার স্বামী বিদেশে থাকে। বিদেশ থেকে আসার পরে আমার স্বামীকে বিদেশ না যেতে দেওয়ার জন্য চক্রান্ত করে এ মামলা দেওয়া হয়েছে। আমি আমার স্বামীর মুক্তির দাবি জানাই।
বাড়িওয়ালা শাহিনা বেগম বলেন, আমাকে বলেছিল তার ছেলে এবং ছেলের বউ সহ বাড়িতে আসবে। পরে শুনি সে একা এসেছিল তারপরে শুনি এসব ঘটনা।
মুঞ্জুরা বেগম বলেন, বিদেশ যেতে না দেওয়ার জন্য এই চক্রান্ত করা হয়েছে। তাছাড়া ফায়সালা হওয়ার পরে মুরাদ সেখানে এসেছিল। তাছাড়া সবাই সেখানে সালিশ করতে গিয়েছিল।
ইমাম /শামি