, , ।
সানশাইন ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবনসহ আশেপাশের এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। অধিবেশনকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করে গণবিজ্ঞত্তি দিয়েছে ডিএমপি।
অধিবেশন নির্বিঘ্নে চলার কাজটি নিশ্চিত করার জন্য ডিএমপি বিজ্ঞপ্তিতে বলছে, “ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্সের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বুধবার রাত ১২টা থেকে সকল প্রকার অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য বহন এবং যে কোনো প্রকার সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা, বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ ঘোষণা করছে” প্রথম অধিবেশন শুরু হবে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায়। এদিন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন। রেওয়াজ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এই অধিবেশন ভাষণ দেবেন।
ময়মনসিংহ রোডের মহাখালী ক্রসিং থেকে পুরাতন বিমান বন্দর হয়ে বাংলামটর ক্রসিং পর্যন্ত। বাংলামটর লিংক রোডের পশ্চিম প্রান্ত হতে হোটেল সোনারগাঁও রোডের সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত। পান্থপথের পূর্বদিক হতে গ্রিন রোডের সংযোগস্থল হয়ে ফার্মগেইট পর্যন্ত। মিরপুর রোডের শ্যামলী মোড় থেকে ধানমন্ডি-১৬ (পুরাতন-২৭) নং সড়কের সংযোগস্থল, রোকেয়া সরণির সংযোগস্থল হতে পুরাতন ৯ম ডিভিশন (উড়োজাহাজ) ক্রসিং হয়ে বিজয় সরণির পর্যটন ক্রসিং, ইন্দিরা রোডের পূর্ব প্রান্ত থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্ত, জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা এবং এই সীমানার মধ্যের রাস্তা ও গলিপথ।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে বুধবার রাত ১২টা থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে এবং অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন এমপিদের শপথ অনুষ্ঠানের পর বিএনপির সংসদীয় দলের প্রথম বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হয়। সেদিন বিকালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি।
৩০০ আসনের জাতীয় সংসদে দুটি আসনের নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত রয়েছে এবং প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে একটি আসনের নির্বাচন বাতিল হয়েছে। বাকি ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি, জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি আসন পেয়েছে। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণসংহতি আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসন পেয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জিতেছেন ৭টি আসনে।