সর্বশেষ সংবাদ :

ধর্মঘট প্রত্যাহার : গ্যাসের সিলিন্ডার না পেয়ে বিড়ম্বনায় নগরবাসী

স্টাফ রির্পোটার: গত কয়েকদিন সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীতেও দেখা দিয়েছে তীব্র এলপিজি গ্যাসের সংকট। গ্যাস না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসীসহ হোটেল-রেস্তোরাঁ ও ক্ষুদ্র ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন এলপিজি ডিপো ও খুচরা বিক্রেতাদের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই বন্ধ। কোথাও কোথাও তালা ঝুলতে দেখা যায়। এতে তীব্র বিড়ম্বনায় পড়েছেন গ্রাহকেরা।
গ্রাহকদের তীব্র ভোগান্তির কথা চিন্তা করে গতকাল দুপুরে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলাটেরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা আসে। এতে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। সভা শেষে গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি সেলিম খান বলেন, এলপি গ্যাসের দোকানে ভোক্তা অধিকারের অভিযান বন্ধ করলেই ধর্মঘট প্রত্যাহার হবে। আর ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির ১২কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৫০০ টাকা নির্ধারণেরও দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
এদিকে গ্যাস ব্যবসায়ীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে মনে করছে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী দাম বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন বিইআরসি চেয়ারম্যান। পরে তার আহ্বানে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেন ব্যবসায়ীরা। বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, যারা ইন অ্যাকটিভ কোম্পানি আছে তাদের আগামী সপ্তাহে আলোচনায় ডাকা হবে। চলমান সংকট সমাধানে বিইআরসি চেষ্টা করে যাবে। এ সময় গ্যাসের চলমান সংকট আসন্ন রমজানের আগেই কেটে যাবে বলে আশ্বস্ত করেন বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।
তবে ধর্মঘটের আগে
তবে ধর্মঘটের কারণে সারাদিন ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী। সকাল থেকেই বিভিন্ন দোকানে দোকানে খুঁজেও সিলিন্ডার গ্যাস না পেয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। তবে বৃহস্পতিবার বিকেলে গ্যাস ধর্মঘট প্রত্যাহারের খবরে স্বত্বি ফিরে পায় রাজশাহীবাসী। তারা জানান গত কয়েকদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে। উপশহর এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী খোকন আলী জানান, গ্যাস না থাকায় দোকানে রান্নার কাজ হচ্ছিল না। এতে করে নতুন অর্ডার নিতে ভয় পাচ্ছিলাম। তবে এখন ধর্মঘট প্রত্যাহার হয়েছে, দেখি কখন থেকে গ্যাস পায়।”
ভদ্রা এলাকার গৃহিণী সুফিয়া বেগম বলেন,“গত কয়েকদিন থেকে গ্যাস না পেয়ে আমাদের খুবই সমস্যা হচ্ছিল। আজ বিকেলে প্রত্যাহার খবর শুনলাম। এখন আমরা চাই অতিদ্রুত সময়ের ভিতরে দোকানে গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে পারবো।”
তবে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত মহানগরীর বিভিন্ন মোড়ের দোকানগুলোতে এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডার বিক্রি স্বাভাবিক হতে দেখা যায়নি। নগরবাসীর দাবি দ্রুত যেন গ্যাসের সিলিন্ডার বিক্রি স্বাভাবিক হয়।


প্রকাশিত: January 9, 2026 | সময়: 1:54 am | সুমন শেখ

আরও খবর