, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নির্বাচন শুধুমাত্র জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি জনগণের মতামত প্রকাশ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় সক্রিয় অংশগ্রহণের মৌলিক অধিকার। তাই নির্বাচন যতটা স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে; দেশের গণতন্ত্র ততটাই সুসংহত হবে। তাই জনগণ আর ভুল করবে না, দাঁড়িপাল্লায়ই ভরসা রাখবে।’
বুধবার (১২ নভেম্বর) বিকেলে কাটাখালী পৌরসভার মাসকাটা দিঘী পূর্বপাড়া এলাকায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণসংযোগকালে এসব কথা বলেছেন তিনি। এসময় তিনি গণসংযোগ চলাকালে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের কাছে আগামী নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট দাঁড়িপাল্লার পক্ষে হোক’- এই অঙ্গীকারে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য যোগ্য ও সৎ নেতৃত্বের বিকল্প নেই। ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষার্থীরা দক্ষ নেতা নির্বাচনে ভুল করেননি। তাই আসন্ন নির্বাচনেও দেশের জনগণ ভুল করবে না, তারা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য জনপ্রতিনিধিকে নির্বাচিত করবে, ইনশাআল্লাহ।
শিক্ষাব্যবস্থায় উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতির মেরুদণ্ড হলো শিক্ষা। আমি নির্বাচিত হলে এই এলাকার শিক্ষাব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য প্রথমেই কাজ শুরু করবো। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় দক্ষ হয়ে এখানকার তরুণরা হবে দেশ গড়ার মডেল।’
দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘টানা ২৮ বছর ধরে হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। নাগরিক সেবা দানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি শিক্ষায় দক্ষ করে তুলতে ইউনিয়নে ডিজিটাল কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করেছি। এখন ইউনিয়ন পরিষদে এসে তরুণরা স্বল্প মূল্যে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।’ এসময় উপস্থিত ছিলেন- কাটাখালী থানা জামায়াতের আমির অধ্যাপক জালাল উদ্দীন এবং সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, কাটাখালি পৌর আমির আজিজুল আলম, থানা রাজনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হাই, ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি রাসেল আলী, সাধারণ সম্পাদক সোহাগ সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।