বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
ঈশ্বরদী প্রতিনিধি: পাবনার ঈশ্বরদীতে নিখোঁজের একদিন পর ইমান আলী (৫৫) নামের এক ভ্যানচালকের হাত, পা ও মুখ বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়াস্থ পাবনা সুগার মিলস সংলগ্ন একটি ঝোঁপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ইমান আলী দাশুড়িয়া ইউনিয়নের মুনশিদপুর তেঁতুলতলা গ্রামের মৃত জয়নাল আলী প্রামাণিকের ছেলে। অটো ভ্যান চালানোর পাশাপাশি খড়ের ব্যবসা করতো বলে জানা গেছে।
নিহতের ছেলে ইকবাল হোসেন জানান, তার বাবা প্রতিদিনের মতো গত মঙ্গলবার রাতে মোটর চালিত অটোভ্যান নিয়ে ভাড়া সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। কিন্তু রাত পেরিয়ে সকাল হলেও তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন সকালে তার মোবাইলে বারবার ফোন করেও কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে ঈশ্বরদী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁরা। সন্ধ্যার দিকে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পান, তাদের বাড়ির পাশে অবস্থিত পাবনা সুগার মিলস্ সংলগ্ন একটি ঝোঁপে মরদেহ পড়ে আছে। সেখানে গিয়ে ইকবাল হোসেন মরদেহটি তার বাবার বলে শনাক্ত করেন।
স্থানীয়দের ধারণা, ছিনতাইকারীরা রাতেই ইমান আলীর অটোভ্যান ছিনিয়ে নিয়ে তাকে হত্যা করে ঝোঁপে ফেলে রাখে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ স ম আব্দুন নূর বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভ্যানটি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে চালককে হত্যা করে মরদেহ ঝোঁপে ফেলে রাখা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।” ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলেই প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, “ঘটনাটি খুন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। হত্যাকান্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।”