১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে দেশের সংস্কার শুরু করেছিলেন শহীদ জিয়া: মিলন

স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা, উন্নয়নের রুপকার, বাংলার রাখাল রাজা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ থেকে একনায়কতন্ত্র বিলোপ ও গণতন্ত্র পূনরুদ্ধারে প্রথম সংস্কার কাজ শুরু করেছিলেন। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সে সময়ে দেশের অবস্থা অনেকটাই এরকম ছিলো। কারন ঐ সময়ে দেশের মানুষ রাগে ক্ষোভে আওয়ামী লীগকে বিতারিত করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পূনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক জাতির সামনে উপস্থাপিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষে সোমবার বিকেলে হড়গ্রাম ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথাগুলো বলেন।
তিনি আরো বলেন, একই অবস্থা করেছিলেন গণতন্ত্র ধ্বংসকারী শেখ মুজিবুর রহমানের পৃথিবীর বুকে সব থেকে খারাপ ও ক্ষমতালোভি ফ্যাসিস্ট কন্যা শেখ হাসিনা। তিনি সম্পূর্ন অন্যায় ও অবৈধ এবং মিথ্যার উপরে ভর করে দেশ চালিয়ে ছিলেন। তার পালানোর আগে থেকেই তারুন্যের অহঙ্কার আগামীর রাষ্ট্র নায়ক তারেক রহমান রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের জন্য দফা দিয়েছিলেন। সেই দফা তিনি পর্যায়ক্রমে বাড়িয়ে এখন ৩১দফায় নিয়ে এসেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, বিএনপি’র এই ৩১ দফার মধ্যে রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য সব কিছুই রয়েছে। এটা বাস্তবায়ন করতে পারলে আর নতুন করে কোন সংস্কার প্রয়োজন হবেনা বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, গত কয়েকদিন পূর্বে ঢাকায় একটি অত্যন্ত খারাপ ও নির্মন ঘটনা ঘটেছে। যা একটি সভ্য দেশে হতে পারেনা। এটা নিয়ে বিএনপি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে। কারন বিএনপি কখনো সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দেয়না বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ঢাকায় যা ঘটেছে এটা পূর্ব পরিকল্পিত। ব্যবসা নিয়ে এই দন্দ। যিনি নিহত হয়েছেন তিনিও বিএনপি করেন। কিন্তু একটি দলের মায়ের চেয়ে মাসির দরদের মত হয়েছে। তারা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, ভারপাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও যুবদলকে নিয়ে বাজে স্লোগান দিয়েছে এবং যে কান্ড ঘটিয়েছে তার দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে। বিএনপি যেমন অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়না, তেমনি কেউ অন্যায় বলে যাবে এটা সহ্য করবে না বলে হুঁমিয়ারী দেন তিনি। তিনি বলেন, এখন থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসছে। কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং কারা কারা এই কাজে ইন্ধন জুগিয়েছে সব বেড়িয়ে আসছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। সেইসাথে এই সকল লেজুরবৃত্তি দলের সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে নেতাকর্মীদের আবারও মাঠে নামার আহ্বান জানান তিনি। বক্তব্য শেষে তিনি নেতৃবৃন্দদের নিয়ে জনগণের মধ্যে ৩১দফা লিফলেট বিতরণ করেন।
৫নং হড়গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি সাবেক মেম্বর ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা বিএনপি’র সদস্য ও নওহাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র শেখ মকবুল হোসেন, ৫নং ওয়ার্ড হাড়গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী।


প্রকাশিত: জুলাই ১৫, ২০২৫ | সময়: ৪:২০ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ

আরও খবর