বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
স্টাফ রিপোর্টার: পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশে দল ছিলো একটা, আর ভোটারো ছিলেন একজন। তিনি হলেন পতিত সরবকারের অবৈধ সাবেক প্রধানমন্ত্রী আওয়ামীলীগের সভানেত্রী ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনা। তাঁর ইশারায় জাতীয় সংসদ থেকে শুরু করে স্থানীয় সরকার পর্যন্ত ভোট হতো। আর এই ভোটে তিনি যাকে মনোনয়ন দিতেন তিনিই নির্বাচিত হতেন। এই ভাবে খুনি হাসিনা বাংলাদেশ থেকে গণগন্ত্রকে হত্যা করেছিলেন বলে রাজশাহীর পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে শীতলাই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন এই কথাগুলো বলেন।
তিনি আরো বলেন, পতিত সরকারের আমলে হাজার হাজার গাায়েবী মামলা হয়েছে। সেই মামলায় লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীদের আসামী করা হয়েছে। বিশ হাজারের বেশী নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। শত শত নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে। একদিকে মামলা, অন্যদিকে নির্যাতন থেকে বাঁচতে নেতাকর্মীরা মাঠে, পুকুরপাড়ে ও টংঘরে রাত্রী যাপন করেছে। অনেকে আবার চরে গিয়ে ঘুমিয়ে থেকেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। কিন্তু ৫ আগস্টের পরে আওয়াম ীলীগের দোসররা বিএনপিতে প্রবেশ করার চেষ্টা করছে। অনেক বিএনপি নেতা আছেন তাদেরকে জায়গা করে দিচ্ছেন। এ অবস্থা বিএনপি তথা বিএনপি’ওে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহামান মেনে নেবেননা। দল থেকে তাদেরকে আজীবন বহিস্কার করবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মিলন বলেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। এই নির্বাচনে বিএনপিসহ নিষিদ্ধ দল ছাড়া সকল দল অংশগ্রহন করবে। বিএনপি ৩০০ আসনেই নির্বাচন করবে। কারণ বিএনপিকে মানুষ চারবার ক্ষমতার আসিনে আসিন করেছিলো। এজন্য বিএনপি মানুষের মনের মনি কোঠায় রয়েছে। যতই বিভ্রান্ত ছড়ানো হক বিএনপি’র মধ্যে কেউ ফাটল ধরাতে পারবেনা বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষে একটাই আস্থা ধানের শীষ। এই ধানের শীষে জনগণ আবারও ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করবেন বলে জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, বিএনপি কারো ক্ষতি করেনা। করেনা নির্যাতন ও অন্যায়। এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ ৫আগস্ট পরবর্তী সময়। তারেক জিয়ার নির্দেশে বিএনপি নেতাকর্মীরা পতিত সরকারের জানমালের নিরাপত্তা দিয়েছে। তার মানে এই নয় তাদের রক্ষা করেছে সারাজীবনের জন্য। বিএনপি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। অপরাধীদের আইনের মাধ্যমে বিচার হবে। কোন মব জাস্টিস বিএনপি বরদাস্ত করেনা। আগামীতেও করবেনা বলে উল্লেখ করেন তিনি। সেইসাথে জুলাই-আগস্টে নিহতদের আত্মার শান্তি ও আহতদের দ্রুত সুস্থ্যতা কামনা করেন তিনি। শেষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
পবার দামকুড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র আহ্বায়ক এনামুল হক কনক এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব নওশাদ আলী ও পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজপাড়া থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি শওকত আলী, পবা উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ, আব্দুস সালাম মাস্টার, মহানগর বিএনপির ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজা, ধরুইল ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান কাজিম উদ্দিন কাজিম, হরিয়ান ইউনিয়ন বিএনপি’র আহ্বায়ক মজিবুর রহমান, সদস্য সচিব বাদমা মিয়া, দর্শনপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য সচিব রকিবুল ইসলাম, হুজুরীপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক সিহাব উদ্দিন, সদস্য সচিব মোতাহার হোসেন, পারিলা ইউনিয়ন বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম, বিএনপি নেতা রমজান আলী, দর্শনপাড়া ইউনিয় বিএনপি’র সাঊেশ সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক।
আরো উপস্থিত ছিলেন দর্শনপাড়া কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আমজাদ হোসেন লালন, দামকুড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সাধারণ স,ম্পাদক এনামুল হক মেম্বর, জেলা যুবদলের সদস্য সাহেব জাদা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান লিটন, পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তাইজুল ইসলাম পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা, পবা উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আবু হেনা পবা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান হাফিজসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীবৃন্দ।