২০২৪-২৫ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) প্রকল্পের আওতায় প্রাপ্ত প্রায় সাত লাখ টাকার প্রকল্পের কাজ চলাকালে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে।
দাওকান্দী মিনুর বাড়ি থেকে গুচ্ছগ্রাম পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার ও সিসিকরণ কাজের বিপরীতে এই প্রকল্প দেয়া হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি নারী ইউপি সদস্য রুপালী খাতুন নিজেই।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সরেজমিন পরিদর্শনকালে রাস্তায় ব্যবহৃত ইটসহ অন্যান্য সামগ্রী নিম্নমানের দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কাজ বন্ধ করে সব ইট অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন।
একই সঙ্গে প্রকল্প সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত ইউপি সদস্য রুপালী খাতুনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) পাঠানো হয়।
শোকজ চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, প্রকল্পের কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করার কারণে কেন আপনার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে হবে।
অভিযুক্ত নারী ইউপি সদস্য রুপালী খাতুনের সাথে কথা বলতে তার মুঠোফোনে কল করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন বলেন, সরকারি অর্থে বাস্তবায়িত কোনো উন্নয়নকাজে অনিয়ম পাওয়া গেলে আমরা দ্রুত এবং কঠোর ব্যবস্থা নিই। দাওকান্দী গ্রামের ওই প্রকল্পেও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যকে শোকজ করা হয়েছে। তাঁর জবাব পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, কাজটিতে এক নম্বর ইটের পরিবর্তে কম দামে কেনা দুই ও তিন নম্বর ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়।
সানশাইন /রবি/শামি