বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
স্পোর্টস ডেস্ক: তৃতীয় ম্যাচেই রেকর্ড জয়ে সিরিজে টিকে ছিল পাকিস্তান। কিন্তু এবার তাদেরকেই রেকর্ড ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজ জিতে নিল নিউজিল্যান্ড।
সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে গতকাল ১১৫ রানের বিশাল ব্যবধান হারিয়েছে কিউইরা। পাকিস্তানের জন্য এটি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রানের হিসাবে সর্বোচ্চ ব্যবধানে হার। এর আগে ২০১৬ সালে ওয়েলিংটনে ৯৫ রানে হেরেছিল পাকিস্তান। গতকালকের জয়ে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিল স্বাগতিকরা। তৃতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ২০৫ রানের রেকর্ড লক্ষ্য তাড়ায় জিতেছিল পাকিস্তান। আজ আরও বড় লক্ষ্য দেয় কিউইরা। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে আগে ব্যাট করে ২২১ রানের পাহাড় গড়ে তারা। জবাবে ১০৫ রান তুলতেই অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান।
সিরিজে সমতা ফেরানোর লড়াইয়ে নেমে একের পর এক ধাক্কা খায় সফরকারীরা। দলীয় ৮ রানেই বিদায় নেন দুই ওপেনার মোহাম্মদ হারিস ও হাসান নওয়াজ। আগের ম্যাচে টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ান হাসান আজ আউট হন ১ রানে। আর হারিস বিদায় নেন ২ রানে। শুরুর সেই ধাক্কা আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি পাকিস্তান। এক পর্যায়ে ৫৬ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ১০০ রানের আগেই অলআউট হওয়ার শঙ্কায় পড়ে যায় তারা। তবে ৪৪ রানের ইনিংস খেলে সেই শঙ্কা দূর করেন আব্দুল সামাদ। তাতে অবশ্য কাজের কাজ কিছুই হয়নি। শুধু হারের ব্যবধানটাই কমেছে।
পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপকে বিধ্বস্ত করার পথে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন ডাফি। আর ৩ উইকেট গেছে ফোকসের ঝুলিতে। এর আগে স্বাগতিকদের রানের পাহাড়ে নেওয়ার ভিত্তি গড়ে দেন দুই ওপেনার টিম সেইফার্ট ও ফিন অ্যালেন। দুজনের ৪.১ ওভার স্থায়ী জুটিতে আসে ৫৯ রান। সেইফার্ট ৪৪ রান করে ফিরলেও ফিফটির দেখা পেয়েছেন অ্যালেন। ২০ বলে ঠিক ৫০ রান করা এই ব্যাটার নির্বাচিত হন ম্যাচসেরাও। আর শেষদিকে ২৬ বলে ৪৬ রানের ইনিংস খেলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন অধিনায়ক মাইকেল ব্রেসওয়েল। বল হাতে পাকিস্তানের হারিস রউফ ৩টি ও আবরার আহমেদ ২টি উইকেট নেন।