সর্বশেষ সংবাদ :

বশেমুরবিপ্রবিতে দুদকের অভিযান, মিলেছে অভিযোগের সত্যতা

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি:

দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযানে অনিয়মের সত্যতা পেয়েছে দুদক।

রবিবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা দুদকের সহকারী পরিচালক বিজন কুমার রায় ও সোহরাব হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় তদারকিতে ছিলেন জেলা দুদকের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার নজরুল ইসলাম হীরা, পরিকল্পনা দপ্তরের প্রধান তুহিন মাহমুদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী বিভিন্ন সময়ে ভর্তি বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্যসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ নিয়ে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া তাদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ রয়েছে দুদকের কাছে। প্রকাশিত সংবাদ ও নানা অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান পরিচালনা করে।

এ বিষয়ে জেলা দুদকের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান বলেন, ‘ আমাদের কাছে কিছু অভিযোগ ছিল বিগত ২০১৬ সালের পরে প্রচুর পরিমানে আসবাবপত্র ক্রয় করা হয় কিন্তু তার ব্যবহার হচ্ছে না। এছাড়াও লাইব্রেরিতে বই কেনা, ৩২ বছরের উপরে এমন ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে , পানি শোধনাগার বিনষ্ট, কেনাকাটায় অনিয়ম, গেট নির্মাণসহ বিভিন্নক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়মের বিষয়টি জানতে পেরেছি। সেই আলোকে আজ অভিযান চালানো হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের প্লানিং কমিশনের পরিচালক তুহিন মাহমুদ কেনাকাটায় অনিয়মের সাথে জড়িত রয়েছে।এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অপর কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম হীরার বিরুদ্ধে ব্যাপক টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে।আত্মীয়-স্বজনের নামে টেন্ডার নিয়ে কাজ না করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ উপার্জন করেছে। এ সব ফাইল ও কাগজপত্র চেয়েছি এবং তা যাচাই বাছাই করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। কিছু ক্ষেত্রে মামলা দায়েরসহ বিভিন্ন পরামর্শ দিব। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যেভাবে সিদ্ধান্ত দেবে, সেভাবে বাকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।’

সানশাইন / নিলয়/শামি


প্রকাশিত: January 12, 2025 | সময়: 7:09 pm | Daily Sunshine