সর্বশেষ সংবাদ :

রাজশাহীতে রেড ক্রিসেন্টের কর্মকর্তার বাসা থেকে লুটের মালামাল উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীতে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্থানীয় এক কর্মকর্তার বাসা থেকে গত ৫ আগস্ট উদ্ধার হওয়া কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। রেড ক্রিসেন্টের সিটি ইউনিটের স্বেচ্ছাসেবকেরা এসব মালামাল উদ্ধার করে ওই কর্মকর্তার বাসায় রেখেছিলেন। পুলিশ এগুলো জব্দ করেছে।
ওই কর্মকর্তার নাম মীর্জা শামীম আহসান ওরফে লাল। তিনি রেড ক্রিসেন্টের সিটি ইউনিটের ইউনিট লেভেল অফিসার। নগরের উপশহরে তার বাসা থেকে জব্দ করা মালামালের মধ্যে রয়েছে ছয়টি চেয়ার, একটি মনিটর এবং একটি স্পিøট টাইপ এসির ইনডোর অংশ।
রোববার দিবাগত মধ্যরাতে রাজশাহী নগরের উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা এগুলো জব্দ করে। এর আগে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সিটি ইউনিটের স্বেচ্ছাসেবকেরা এগুলো উদ্ধার করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হন। এ সময় খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল সেখানে যায়।
স্বেচ্ছাসেবক শ্রাবন্তী আক্তার ফারহানা ও রিয়াদ খান রাতুল জানান, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর রাজশাহীর নগর ভবনে লুটপাট চলছিল। তখন তারা বেশকিছু মালামাল উদ্ধার করেন এবং এগুলো ইউনিট লেভেল অফিসার শামীমের বাসায় রাখেন। সিটি করপোরেশনের তিনটি ময়লা ফেলা ভ্যানে করে এসব মালামাল এনেছিলেন তারা।
স্বেচ্ছাসেবকেরা জানান, নগর ভবনেই রেড ক্রিসেন্টের ইউনিট কার্যালয়। ৫ আগস্টের পর কিছু মালামাল ওই কার্যালয়ে পাঠান কর্মকর্তা শামীম। কিন্তু আরও কিছু মালামাল তিনি বাসায় রেখে দেন। আগস্টে এসব মালামাল ফেরত পেতে সিটি করপোরেশন মাইকিং করলেও তিনি দেননি। এ নিয়ে তারা কয়েকদফা বসেছেন। কিন্তু শামীম এগুলো ফেরত দেননি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মীর্জা শামীম আহসান লাল বলেন, ‘এগুলো তিনি তাদের অফিসের জন্যই রেখেছিলেন। তবে রাখা ঠিক হয়নি। স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে একটি বিষয় নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে তারা দলবলে বাসায় এসে এমন ঘটনা ঘটালেন। এতে তিনি মর্মাহত।’
নগরের বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাসুদ বলেন, ‘মালামালগুলো জব্দ করে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এগুলো কোন অফিসের দেখে হস্তান্তর করা হবে। আর ফেরত না দেওয়ার জন্য কেউ যদি আইনগত ব্যবস্থা নিতে চান তাহলে সেটাও পারবেন।’


প্রকাশিত: December 31, 2024 | সময়: 7:26 am | সুমন শেখ