, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর বাঘা থানায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম-সহ আ.লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দুটি মামলায় দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় ১৬৫ জনের নাম উল্লেখ -সহ আরও ১৮০ জনকে অজ্ঞাতনামা দিয়ে মোট ৩৪৫ জন আসামী করা হয়েছে।
গত সোমবার (২৬ আগষ্ঠ) রাতে জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক বাঘা উপজেলার গড়গড়ি ইউনিয়ের বামনডাঙ্গগা গ্রামের মাহাবুব আলমের ছেলে সালাউদ্দিন আহম্মেদ শামীম সরকার এবং ছাত্রদল কর্মী ও পাকুড়িয়া ইউনিয়নের কিশোরপুর গ্রামের আশরাফ মুল্লিকের ছেলে জাহিদ হাসান পৃথকভাবে বাদি হয়ে এ মামলা দুটি দায়ের করেন।
জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক সালাউদ্দিন আহম্মেদ শামীম সরকারের দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সাবেক এমপি শাহরিয়ার আলম-সহ ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২০-৩০ জনকে আসামী করা হয়।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৩ সালের ২১ মে দুপুরে বাঘা নতুন বাসস্ট্যান্ডে রাকিবের দোকান থেকে সালাউদ্দিন আহম্মেদ শামীম সরকারকে হত্যার উদ্দেশ্যে চোখ মুখ বেধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হুকুমে সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সমর্থিত আ.লীগের নেতাকর্মীরা দেশিও অস্ত্র ঠেকিয়ে তুলে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গিয়ে মারপিট করে। পরের দিন তাকে বৈদ্যুতিক সক দেওয়া হয় এবং পায়ে রিভালভার ঠেকিয়ে গুলি করে। এতে পায়ের তিনটি নখ উপড়ে দেওয়া হয়। এক সপ্তাহ যাবত নাটকীয় টর্চার শেষে ২৮ মে মামলা দিয়ে ঢাকা কোর্টে চালান দেওয়া হয়।
অপরদিকে ছাত্রদল কর্মী জাহিদ হাসানের পাকুড়িয়া ইউনিয়নের কিশোরপুর বাজারে মুদিখানার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ২০২৩ সালের ২৫ আগষ্ট সকাল ১১টায় আ.লীগের নেতামর্কীরা হাসুয়া, লোহার রড়, চাইনিচ কুড়াল, হকিস্টিক, পিস্তল নিয়ে হামলা করে। পরে সেখানে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরন ঘটিয়ে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে আগুন দিয়ে জালিয়ে দেয়া হয়। এই ঘটনায় জাহিদ হাসান বাদী হয়ে ১৪১ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা ১০০-১৫০ জনকে আসামী করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি আবু বাক্কার সিদ্দিক জানান, পৃথক দুটি অভিযোগ মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
সানশাইন/ আর এক্স