, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: এ নিয়ে ব্রেস্ট শহর থেকে আরিফের মন্তব্য, ‘বিদেশে আসা ও থাকার কোনো ইচ্ছে ছিল না আমার। পরিবার, বন্ধু-বান্ধব ছেড়ে বিদেশ থাকা অনেক কষ্টের। নিজের ভাষায় কথা বলতে না পারার কষ্ট প্রবাসী ছাড়া সবাই বুঝবে না। আমি অলিম্পিক খেলে দেশে ফিরেছিলাম, দেশে থেকে সাঁতার করতেই। সম্মান ও মর্যাদা না পাওয়ায় আবার ফ্রান্সে ফিরি। ফ্রান্সে ফেরার কয়েক মাস পর ফেডারেশনও আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। এরপর এখানে কোচ হিসেবে নিজেকে মানিয়ে নিতে শুরু করি। পরবর্তীতে ফেডারেশনকে বলেছি ফ্রান্সে আমার যোগাযোগ রয়েছে। কোচিং কোর্স বা ট্রেনিং বিষয়ে সহায়তা করতে পারি।’
টোকিও অলিম্পিকে খেলেছিলেন আরেক সাঁতারু ইংল্যান্ড প্রবাসী জুনাইনা আহমেদ। তারও এখন বাংলাদেশের সাঁতারের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অলিম্পিয়ান পরিচয় পাওয়া সারা বিশ্বের ক্রীড়াবিদের জন্য স্বপ্ন। ক্রীড়াঙ্গনের প্রতি একজন অলিম্পিয়ানের দায়বদ্ধতা অনেক। ক্রীড়াবিদরা যেমন সেই দায়িত্বজ্ঞান সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখেন না, আবার ফেডারেশনও সেই ধারণা ও সুযোগ দেয় না অনেক সময়। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশিবার অলিম্পিকে খেলেছেন সাঁতারু ডলি আক্তার। তিনি ক্যারিয়ারের শেষদিকে সাঁতার ছেড়ে ভলিবলে মনোযোগী হয়েছেন। এ ছাড়া ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশের প্রথম ক্রীড়াবিদ হিসেবে অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করেন সাইদুর রহমান ডন। সাবেক এই অ্যাথলেটও দীর্ঘদিন ধরে প্রবাস জীবনে।
অলিম্পিয়ান সাঁতারুদের খেলা থেকে বিচ্ছিন্নতা সম্পর্কে ফেডারেশনের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এমবি সাইফের মন্তব্য, ‘সময়ের সেরা ও আন্তর্জাতিক সাঁতার ফেডারেশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ফেডারেশন অলিম্পিকের সাঁতারু মনোনয়ন দিয়ে থাকে। অলিম্পিয়ান সাঁতারু অবশ্যই ক্রীড়াঙ্গনের সম্পদ। ফেডারেশন তাদের দেশের স্বার্থে রাখতে চায়। অলিম্পিকে অংশগ্রহণের পর যদি তারা ব্যক্তিগত কারণে খেলার সঙ্গে না থাকেন বা দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সম্পৃক্ত থাকতে না চান, সেখানে ফেডারেশনের তেমন কিছু করার থাকে না।’