, , ।
স্টাফ রিপোর্টার, চারঘাট: রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার রায়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদার রহমানের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও স্বজনপ্রীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি সুষ্ঠ তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
জানা যায়, ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদার রহমান নিজ পিতাকে সভাপতি বানিয়ে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে নানা দুর্নীতি ও অনিয়ম পরিচালনা করে আসছেন। প্রধান শিক্ষক তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী রেহেনা খাতুনকে জাল সনদের মাধ্যমে সহকারী শিক্ষক (বিজ্ঞান) পদে নিয়োগ দিয়ে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
সহকারী লাইব্রেরিয়ান হিসেবে নিজ ছোট বোন সালমা খাতুনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যার লাইব্রেরিয়ান সনদটি একটি অননুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। বিদ্যালয়ের স্থাবর সম্পত্তি ও গাছপালা প্রধান শিক্ষকের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনরা ব্যক্তিগতভাবে ভোগদখল করে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করছেন। সে দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ বানিজ্যসহ বিভিন্ন ভাবে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি করে বিদ্যালয়টিকে নিজের আয়ের দুর্গে পরিনত করেছেন।
এবিষয়ে চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অখিভযোগ দায়ের কারী সামসুল ইসলামের যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিদ্যালয়টির সার্বিক পরিবেশ ও শিক্ষার মান রক্ষার্থে এবং প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদার রহমানের এসব জালিয়াতি ও দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদার রহমানের বলেন, সামসুল ইসলামের অভিযোগের কোন সত্যতা নেই। তার ভাতিজাকে সভাপতি না করায় তিনি আক্রশ থেকে এভাবে বিভ্রান্তি মুলক অভিযোগ দিয়ে আসছেন।
বিষয়টি সম্পর্কে চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।