, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর পবা উপজেলার হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েছেন প্যানেল চেয়ারম্যান-৩ মোসা. রূপালী পারভীন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. গোলাম সাকলায়েনের কাছ থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব গ্রহণের সময় হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য দুলাল হাসান, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাকির হোসেন সহ পরিষদের সব সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের স্বাক্ষর করা এক আদেশে রূপালী পারভীনকে হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরিষদের কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা এবং জনসেবা অব্যাহত রাখার স্বার্থে তাঁকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনার জন্য তাঁকে আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতাও দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসকের আদেশে বলা হয়েছে, হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ মো. মঞ্জুর রহমান গত ১৭ আগস্ট মারা যান। এরপর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্যসহ নয়জন সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যান-২ মো. জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। একই সঙ্গে প্যানেল চেয়ারম্যান-৩ রূপালী পারভীনকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়ার আবেদন করা হয়। অনাস্থা প্রস্তাবের বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তদন্ত করেন। তদন্তের পর দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে অনাস্থা প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। তবে অনাস্থা প্রস্তাব গ্রহণের কার্যক্রমের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জয়নাল আবেদীন হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন করেন। ১১৪৪২/২৬ নম্বর ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট অনাস্থা প্রস্তাব সংক্রান্ত কার্যক্রম চার মাসের জন্য স্থগিত করেন। পরে হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে ৩২৮২/২০২৬ নম্বর লিভ টু আপিল করেন। গত ২৩ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ আদেশ দেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশের কার্যকারিতা স্থগিত থাকবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সুপারিশের ভিত্তিতে রূপালী পারভীনকে হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
দায়িত্ব নেওয়ার পর রূপালী পারভীন বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম সচল রাখা এবং এলাকার মানুষকে নিয়মিত সেবা দেওয়াই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। জনসেবার ক্ষেত্রে পরিষদের সব সদস্য ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।