, , ।
ঈশ্বরদী প্রতিনিধি: দেশের আখ গবেষণার প্রধান কার্যালয় ঈশ্বরদীস্থ বাংলাদেশ সুগারক্রপ্ট গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রধান ফটক যেন মৃত্যু ফাঁদে পরিনত হয়েছে। ফটকটির সামনে দিয়ে ঈশ্বরদী-পাবনা মহাসড়ক হওয়ায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেই মহাসড়ক পারাপার করতে হয় প্রতিষ্ঠানটির শতাধিক বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ ইন্সটিটিউটের ভেতরে বসবাসকারী অসংখ্য পরিবারের সদস্যদের।
বিশেষ করে সুগারক্রপ্ট গবেষণা ইন্সটিটিউটের ভেতরে অবস্থিত ইক্ষু গবেষণা উচ্চ বিদ্যালয়ের কোমলমতি ৬’শ শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই মহাসড়ক পার হয়ে স্কুলে যাওয়া-আসা করতে হয়। ইতিপূর্বে ওই মহাসড়ক পারাপার হওয়ার সময় বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মহাসড়কের ওই স্থানে দু’টি গতিরোধক নির্মানের জন্য স্কুলের পক্ষ থেকে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
লিখিত আবেদন পত্র সুত্রে জানা যায়, ঈশ্বরদীস্থ বাংলাদেশ সুগারক্রপ্ট গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রধান ফটকের সামনে মোড় এলাকায় ঈশ্বরদী শহর সহ ৩দিক থেকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক একত্রে মিলিত হয়েছে। ওই সড়ক তিনটি দিয়েই প্রতিদিন দ্রুত গতির হাজার হাজার বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। ওই মহাসড়কটি পার হয়েই ইক্ষু গবেষণা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬’শ শিক্ষার্থী, সুগারক্রপ্ট গবেষণা ইন্সটিটিউটের শতাধিক বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ ইন্সটিটিউটের ভেতরে বসবাসকারী অসংখ্য পরিবারের সদস্যদের যাতায়াত করতে হয়। শিশু শিক্ষার্থীরা অনেক সময় যানবাহনের গতি অনুধাবন করতে না পারায় দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। ইতিপূর্বে ওই মহাসড়ক পারাপার হওয়ার সময় সুগারক্রপ্ট গবেষণা ইন্সটিটিউটের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সড়ক দূর্ঘটনায় সামান্য আহত হয়েছেন হয়েছেন অনেক।
লিখিত আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক হওয়ায় অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল করার কারণে ওই স্থানটি দূর্ঘটনা প্রবণ এলাকায় পরিনত হয়েছে। বিষয়টি চরম উদ্বেগজনক উল্লেখ করে স্কুলের অভিভাবকেরা অবিলম্বে ওই মহাসড়কে দুটি গতিরোধক নির্মানের জোর দাবি জানিয়েছেন।
এবিষয়ে গতকাল রোববার ইক্ষু গবেষণা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন, প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ৬ শত শিক্ষার্থী স্কুলে-যাওয়া আসা করেন। ইতিপূর্বে অনেক বড় বড় দূর্ঘটনা ঘটেছে জানিয়ে তিনি অনতিবিলম্বে ওই স্থানে দুটি গতিরোধক নির্মানের জোর দাবী জানান।
ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব লিখিত আবেদন প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে বলেন, দূর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাটি সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।