, , ।
বাঘা প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘায় হযরত শাহদৌলার মাজার,সু-বিশাল দিঘী, ঐতিহাসিক শাহী মসজি এবং জাদুঘর-সহ শত-শত বিঘা জমি নিয়ে গড়ে উঠা প্রতিষ্ঠান মাজার ওয়ার্কপোস্টেড এর নতুন মতোয়ালি হিসাবে এবার দায়িত্ব পেয়েছেন খন্দকার আনারুল ইসলাম দিলিল। তিনি মঙ্গলবার দায়িত্ব বুঝে পাওয়ার পর মাজারের সৌন্দর্য বর্ধণ-সহ একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার ঘোষনা দিয়েছেন। খন্দকার দিলিল বাঘার কৃতিসন্তান প্রায়ত খন্দকার চাঁন মিয়া শাহেবের বড় ছেলে।
বাংলাদেশে মূলত সুফি, দরবেশ, পীর বা ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সমাধিস্থলকে মাজার বলা হয় । একই সাথে নেককার মুমিনদের কবরকে সম্মানার্থে রওজা বলা হয়, যা জান্নাতের বাগানের প্রতীক। এদিক থেকে বাঘায় রয়েছে হযরত শাহদৌলার (রা:)মাজার। যা দেখভালের জন্য বংশপরায়ন ভাবে একজনকে মোতোয়ালির দায়িত্ব দেয়া হয়।গত কয়েক যুগ পরে এবার এই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব বুঝে পেয়েছেন খন্দকার আনারুল ইসলাম দিলিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছেন, বাংলাদেশে ১৯৬২ অধ্যাদেশ মোতাবেক এ ধরনের প্রতিষ্ঠান সরকারি ওয়ার্কপোস্টেড দ্বারা পরিচালিত হলেও মুলত এ সকল প্রতিষ্ঠান দেখভালের দায়িত্বে থাকেন করেন বংশপরায়ন ভাবে নিয়োগকৃত একজন মাতোয়ালি । যার অর্থ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা রিতি । এদিকে থেকে গত বছর ২০২৪ এর ডিসেম্বরে পুরাতন মাতোয়ালি খন্দকার মনছুর আলীর দায়িত্বকাল শেষ হওয়ায় এবার নতুন করে মাতোয়ালির দায়িতাভার পেয়েছেন খন্দকার আনারুল ইসলাম দিলিল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে খন্দকার আনারুল ইসলাম দিলিল বলেন , বিগত সময় গুলোতে অনেক সরকার প্রধানের এমপি,মন্ত্রীরা মাজার কেন্দ্রীক এখানে একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে চাইলেও নানা কারনে সেটি সম্ভব হয়নি। এখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ মাজারে জিয়ারত এবং হাজত মানত-সহ বনভোজন করতে আসেন। আমি আমার পক্ষ থেকে শতভাগ চেষ্টা করবো এই মাজার এলাকায় সৌন্দর্য বর্ধণ-সহ একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার।
এ প্রসঙ্গে বাঘা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মি আক্তার জানান, পুর্বের মাতোয়ালির দায়িত্ব ভার শেষ হওয়ার কারণে বাংলাদেশ ওয়ার্কপোস্টেড থেকে নতুন মাতোয়ালিকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়ার জন্য আমার কাছে একটি চিটি এসছে। সেই আলোকে মঙ্গলবার(১৩ ডিসেম্বর) সকালে খন্দকার আনারুল ইসলাম দিলিল সাহেবকে মাতোয়ালির দায়িত্ব বুঝে দেয়া হয়েছে।