বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
আলামিন খান,জাবি :
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বাধঁন জোনের ২২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) জাবি বাধন জোনের অফিসে সন্ধ্যা সাড়ে ছয় টার দিকে কেক কাটার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপ- উপাচার্য ( প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ, মাননীয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. একে এম রাশিদুল আলম, জাকসুর ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু, জিএস মো. মাজহারুল ইসলাম,এজিএস ফেরদৌস আল হাসান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. জিসানসহ বাধঁনের উপদেষ্টামন্ডলী ও বিভিন্ন হল ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্তরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময়ে মাননীয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. একে এম রাশিদুল আলম বলেন,” রক্তের গ্রুপিং এর মাধ্যমে আমরা আমাদের রক্তের গ্রুপ সম্পর্কে জানতে পারি এবং কারও যদি রক্তের প্রয়োজন হয় আমরা তাদের রক্ত দান করতে পারি। বাধঁনের একটি দীর্ঘ ইতিহাস আছে অর্থাৎ ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে তারা এই কাজ করে আসছে। বাধঁন যে কাজ করে যাচ্ছে, আমি সেই কাজগুলোকে সাধুবাদ জানাচ্ছি এবং আশা করবো বিশ্ববিদ্যালয় যতদিন টিকে থাকবে, বাধঁন তার কার্যক্রমগুলো চালিয়ে যাবে।”
জাকসুর ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বলেন,” একের রক্ত অন্যের জীবন,রক্তই হোক আত্মার বাধন এই স্লোগানকে সামনে রেখে ৫ জানুয়ারি ২০০৪ সালে জাবিতে বাধঁনের যাত্রা শুরু করেছে। যাত্রা শুরুর পর থেকেই এই সেচ্ছাসেবী সংগঠন মানুষের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছে এবং মুমূর্ষু রোগীদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে যাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন,” আমিও আমার হল ইউনিটের সভাপতি ও জাবি জোনের যুগ্ম সম্পাদক ছিলাম এবং বর্তমানে হলের উপদেষ্টা হিসাবে আছি। আমি সবসময় রক্ত দেওয়ার চেষ্টা করি এবং কেউ ফোন করলে বিশেষ কাজ ছাড়া আমি রক্ত দিতে চলে যাই।”
এছাড়া আরও বলেন, ” যারা বাধনের সাথে আছেন,তারা মহান কাজ করে যাচ্ছেন। কিছু কিছু সংগঠন আছে যেগুলো নিজেদের বিকশিত করার জন্য কাজ করে কিন্তু বাধঁন একমাত্র সংগঠন যারা নিজেদের বিকশিত করার পাশাপাশি অন্যদেরও বিকশিত হতে সাহায্য করে।
এছাড়া তিনি জাকসু ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বর্তমান র্যাগজোনে বাধঁন যাতে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে, সেই ব্যবস্থা করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।”
সানশাইন /শামি