, , ।
মাহফুজুর রহমান প্রিন্স, বাগমারা: ডাব অতি প্রয়োজনীয় পণ্য। ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়া, জন্ডিস, ডায়রিয়া প্রভৃতি রোগে ডাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ পানীয়। অথচ এই ডাবের অস্বভাবিক দামে বিপাকে পড়েছে ক্রেতারা। বিগত কয়েক বছরে ডাবের সরবরাহ মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও ডাবের মূল্য আকাশ ছোঁয়া। বর্তমানে একটি ছোট আকারের ডাবের দাম ১২০ থেকে ১৫০ টাকা এবং বড় সাইজের ডাব ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।
স্থানীয় ক্রেতারা বলছেন ডাবের এত অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির কোন কারণ নেই। তাদের মতে, ডাবের এই অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধান প্রয়োজন। দেশে কী ডাবের ফলন কমে গেছে। নাকি কোন সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে হু হু করে বাড়ছে ডাবের মূল্য। উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আব্দুস সামাদ বলেন, ডাব একটি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য না হলেও জনস্বাস্থ ও রোগিদের জন্য ডাবের গুরুত্ব অপরিসীম।
তার মতে, সিন্ডিকেটের কারণে যদি এর মূল্য বৃদ্ধি হয় তবে সিন্ডিকেট ভেঙ্গে ডাবের সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক করতে তিনি প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ দাবী জানিয়েছেন।
এদিকে ডাব বিক্রেতারা জানান, তারা নাটোর, পুঠিয়া, ইশ্বরদী সহ পাশ্ববর্তী কয়েকটি জেলা থেকে ডাব আমদানী করেন। সেখানেই তাদের কাছে বেশি মূল্য রাখা হয়। তারা পরিবহন খরচ বাদে সামান্য লাভে ডাব বিক্রি করেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুর রাজ্জাক জানান, আবহাওয়া ও পরিবেশগত কারণে স্থানীয় পর্যায়ে ডাবের উৎপাদন অনেক কমে গেছে। এছাড়া ডাব গাছের সঠিক পরিচর্চার অভাবে গাছ মরে যায় এবং উৎপাদন সেই হারে হয় না। ফলে ডাব অধিকাংশই আমদানী নির্ভর হয়ে পড়েছে। যে কারণে ডাবের মূল্য বেশি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমরা খোঁজ নিয়ে দেখব। ডাবের ওপর কোন অশুভ ছায়া (সিন্ডিকেট) পড়লে তা যথাযত নিরসনের চেষ্টা করা হবে।