, , ।
স্টাফ রিপোর্টার:
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নে বিএনপির নামধারী স*ন্ত্রা*সী*দের হামলা, দোকান ও বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট এবং যানবাহনে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাঘা উপজেলা শাখা।
আজ মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫ টায় বাঘা উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে বাঘা তেলপাম্প থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি বাঘা বাজারে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এ সময় সমাবেশে বক্তারা বলেন, ইসরায়েল যেমন ফিলিস্তিনে রমজান মাসে হামলা চালিয়েছে, তেমনি সন্ত্রাসীরা রোজাদার জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করতে বাধ্য হতে হয়েছে। প্রশাসন এখনও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি বরং গড়িমসি করছে। বক্তারা প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনারা আমাদের হয়রানি করছেন। যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেন, ভবিষ্যতে কোনো ঘটনা ঘটলে এর দায় আপনাদের নিতে হবে।” তারা অতি দ্রুত হামলাকারী স/ন্ত্রা/সী/দের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিএনপি নেতা বলেন, “বাঘা উপজেলার বিএনপি নেতাকর্মীরা জামায়াত ইসলামীর সঙ্গে মোকাবেলা করার ক্ষমতা রাখে। তবে বাঘা মসজিদের ঐতিহ্যবাহী মেলাকে কেন্দ্র করে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হোক, তা আমরা চাই না। তাই সংঘাত এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রাখার চেষ্টা করছি।”
বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী জেলা সূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মিনহাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সেক্রেটারি মাওলানা শফিকুল ইসলাম, বাঘা উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা জিন্নাত আলী, বাঘা পৌরসভার সাবেক আমির অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইউনুস আলী, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির রাজশাহী জেলা পূর্ব শাখার সভাপতি মো. রুবেল আলী, সেক্রেটারি আব্দুর রবসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, ২০ মার্চ বাউসা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে টিসিবি, ভিজিডি কার্ড-বাণিজ্য, তথ্যসেবাকেন্দ্রের চাঁদাবাজিসহ সব ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ইউনিয়ন জামায়াতের ব্যানারে মানববন্ধন আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনের পরপরই স্থানীয় বিএনপির নামধারী স/ন্ত্রা/সী/রা জামায়াত-শিবিরের উপর হামলা চালায়। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। কিন্তু ৩০ মার্চ আবারও হামলা চালানো হয়, যেখানে শিবিরের ৫ নেতা আহত হন। আহত পাঁচ জনের মধ্যে দুজন স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও একজন রামের হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
সানশাইন/রাজন