বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
নওগাঁ প্রতিনিধি: প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে মারপিটের ঘটনা ঘটেছে নওগাঁর সদর উপজেলার কুশাডাঙ্গা গ্রামে। এ ঘটনায় শাকিব গং এর নামে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে একই গ্রামের মৃত কমেজ উদ্দিনের ছেলে ভুক্তভুগি হোসেন আলী।
হোসেন আলী বলেন, আমার কুশাডাঙ্গা মৌজায় অনুমান ১২ শতাংশ সম্পত্তি, যা আমি পৈত্রিক সূত্রে ৬ শতাংশ প্রাপ্ত হইয়া উক্ত সম্পত্তিতে বসত বাড়ীতে নির্মাণ পূর্বক দীর্ঘদিন যাবৎ ভোগ দখল করিয়া আসিতেছি। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই উক্ত সম্পত্তিতে চেয়ারম্যনের প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে বাড়ীর ভিতরে পাকা প্রাচীর নির্মাণ কাজ শুরু করি। কিন্তু হঠাৎ করে গত ১০ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টায় সময় আসামী শাকিব হোসেন, সুফিয়া বেগম, শামীম হোসেন, আল ইমরান হোসেন পাপ্পু, আব্দুল কুদ্দুস সহ আরো অজ্ঞাতানামা ১৫-২০জন আসামী লাঠি, লোহার রড, ধারালো হাসুয়া নিয়ে বাড়িতে ঢুকে আমার উক্ত নির্মাণাধীন প্রাচীরটি ভাংচুর করে। আমরা বাধা প্রদান করায় আসামীরা আমাদের মারপিট করে বাড়ীতে অবরুদ্ধ করে রাখে।
আসামীরা আমার ঘরে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও ১ ভরি ওজনের স্বর্ণ অলংকার লুট করেয়া নেয়। তখন আমরা ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করিলে থানা থেকে পুলিশ গিয়ে আমাদের উদ্ধার করে। পরে আহতদের নওগাঁ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে আসামীরা আমাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিচ্ছে।
একই গ্রামের সোলায়মান হাজী বলেন, তমালের বাবা হোসেন আলী তার বাড়ির অংশ পাবে, সে অনুযায়ী তারা প্রাচীর নির্মাণ করেছিলেন জোর পূর্বক শাকিব তার আত্মীয়দের সাথে নিয়ে ভেঙে দেয়। এর আগে আমরা বসে ২০ হাজার টাকা ২টি বড় গাছ দিয়ে মিমাংসা করে দেয়া হয় তারপরও কেন এই কাজটা করলো আমার বুজে আসেনা। এটা গায়ের জোর ছাড়া আর কি হতে পারে।
এলাকার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রাজা বলেন দুপক্ষকে নিয়ে মিমাংসা করে দিয়েছি। পরবর্তীতে কি হয়েছে তা আমি জানিনা। বিবাদী শাকিব বলেন পারিবারীক বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়েছে তবে কোন প্রকার মারামারী হয়নি। এবিষয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক শাহিন জানান ঘটনা সত্য, দুপক্ষ মামলা করেছে তদন্ত করে পরামর্শ দেয়া হবে।