বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
স্পোর্টস ডেস্ক: গতির ঝড় তিনি তুলছেন ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই। তবে নাহিদ রানা যত দিন যাচ্ছে, ততই যেন পরিণত হচ্ছেন। গতির সঙ্গে লাইন-লেন্থের মিশেলে পাচ্ছেন সাফল্যও। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফারের দেখাও পেয়েছেন তিনি।
তাকে ঘিরে উচ্ছ্বাস যেন তাতে বেড়েছে আরও। ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া ওই বোলিংয়ের পর মুগ্ধতার কথা শুনিয়েছেন হেড কোচ ফিল সিমন্স। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তাকে ঘিরে চলছে আলোচনা। নিয়মিত প্রায় দেড়শ গতিতে বোলিং করায় তাকে নিয়ে শোনা যাচ্ছে নানা আশার কথা।
তবে এসব নিয়ে একদমই ভাবছেন না ২২ বছর বয়সী এই পেসার। বিসিবির ভিডিওতে তিনি বলেছেন, ‘ইন্টারনেটে কী চলছে, এগুলো সেরকমভাবে মাথায় নিই না। একটি জায়গাতেই মনোযোগ রাখছি, মাঠে কীভাবে পারফর্ম করা যায় এবং দলকে কীভাবে সেরাটা দেওয়া যায়। ‘কোচের তত্ত্বাবধানে আছি, নতুন কিছু শিখতে পারছি। যেসব দেশে যাচ্ছি, ওসব দেশের কন্ডিশনে খেলছি, নতুন কিছু শিখতে পারছি। শেখার কোনো শেষ নেই। এখানে এসেও শিখলাম যে, এই আবহাওয়ায়, ওয়েস্ট ইন্ডিজের উইকেটে কেমন বোলিং করা উচিত বা কেমন লাইন-লেংথে বল করা উচিত। অবশ্যই শিখছি সব জায়গায়। ’
জাতীয় দলের হয়ে খেলতে এখন ক্যারিবিয়ানে আছেন নাহিদ। ওখানেই তার দেখা হয়েছিল কিংবদন্তি পেসার ও বাংলাদেশের সাবেক বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের সঙ্গে। তার সঙ্গে কথোপকথের কিছু ব্যাপার নাহিদ শুনিয়েছেন। নাহিদ বলেন, ‘দেখা হয়েছিল কোর্টনি ওয়ালশ বলছিলেন যে, তুমি জীবনে যেখানেই থাকো, শিখতে থাকো এবং নিজেকে মেইনটেইন করো, ফিটনেস ধরে রাখো, আর জীবনে যেখানেই যাবে, শিখবে। শেখার কোনো শেষ নেই। ’ ‘জ্যামাইকাতে শেষ ম্যাচের পর কোর্টনি ওয়ালশ বলেছেন-তুমি নিজের খেয়াল রেখো এবং ফিটনেসের যত্ন নিও। নতুন কিছু শিখতে থাকো, শেখার কোনো শেষ নেই। ’