, , ।
ঈশ্বরদী প্রতিনিধি: পাবনার ঈশ্বরদীতে সাউথইস্ট ব্যাংকের প্রায় ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সদস্য সচিব ইমরুল কায়েস সুমনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। রোববার পাবনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক শাহিন কবির শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। মামলাটির জিআর নম্বর ২০৩/১৯। সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান পলাশ।
মামলার নথি সুত্র জানায়, সাউথইস্ট ব্যাংকের প্রায় ২ কোটি ২৩ লাখ টাকার দায় পরিশোধে চেক নিয়ে ইমরুল কায়েস সুমনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। সেই মামলায় দীর্ঘ সময় কালক্ষেপন করেও টাকা পরিশোধ না করায় সুমনের বিরুদ্ধে এই আদেশ জারী করে আদালত। সে সময় সুমন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
অপর দিকে গত ৬ আগস্ট ঈশ্বরদীর ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান টিপুর দায়ের করা ১০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় ইমরুল কায়েস সুমনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদন্ড দেন পাবনার প্রথম যুগ্ম দায়রা জজ আদালত। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়।
এদিকে ওই সাজা হওয়ার পরও গত ১৬ আগস্ট ইমরুল কায়েস সুমনকে ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সদস্য সচিব পদে মনোনীত করা হয় এবং ২০ আগষ্ট দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে এক বৈঠকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। এ নিয়ে দলের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।
ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু অভিযোগ করেন, দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দলীয় পদে রাখা হয়েছে। এছাড়া মামলা ও সাজার তথ্য গোপন করে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের সুযোগ করে দিয়ে তারেক রহমানকেও বিতর্কিত করা হয়েছে। তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দলের হাই কমান্ডের প্রতি আহবান জানান।
পাবনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার বলেন, কেউ আইনগতভাবে দন্ডপ্রাপ্ত হলে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলের নেতৃত্বে থাকার সুযোগ নেই।