, , ।
মিজানুর রহমান, চারঘাট: রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বিভ্নি ইউনিয়নের অধিকাংশ সড়ক ভেঙ্গে খানা খন্দকে বেহাল দশা। চরম ভোগান্তিতে কয়েক লক্ষ মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় আবার কোন কোন সড়কে নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহারর কারনে রাস্তা গুলোর ভগ্নদশা বলে দাবি এলাকাবাসীর।
ফলে রাস্তা গুলো দিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে প্রতিনিয়ত দুঘর্টনায় পড়ছেন স্কুল গামী শিক্ষার্থীসহ পথচারী ও যাত্রীরা।তবে উপজেলা প্রকৌশলীর দাবি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের গুরুত্বপুর্ণ বিভিন্ন রাস্তা ভেঙ্গে চুরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থী সহ সাধারণ পথচারী ও ছোট ছোট যানবাহন চলতে গিয়ে মারাক্তক ঝুকির মধ্যে পড়ছে। কখনও কখনও এসব সড়ক দিয়ে চলতে গিয়ে ঘটছে দুর্ঘটনা। চারঘাট উপজেলা সদর সহ বিভিন্ন জায়গায় যাবার একমাত্র সড়কের বেহাল দশায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন এলাকাবাসী। দীর্ঘদিন থেকে সড়ক গুলোর সংস্কার না করায় কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় খানাখন্দে পরিণত হয়েছে।
এছাড়াও এসব রাস্তাগুলো তৈরীরর সময় অতি নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারনেইনসড়ক গুলো আজ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে দাড়িয়েছে। আর এসব সড়ক দিয়ে ছোট ছোট বিভিন্ন ধরনের যানবাহন রাত বিরাত চলতে গিয়ে ঘটছে দুর্ঘটনা।
সরজমিনে উপজেলার ভায়ালক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের বাকড়া থেকে ডাকরা যাওয়ার একমাত্র সড়কটি খানা খন্দকে চলাচলে অনুপযোগী। এছাড়ও মাত্র ২ বছর আগে সংস্কার করা ফরিদপুর কটার মোড় থেকে পুঠিমারী যাবার রাস্তাটিও করুন অবস্থা। এ রাস্তাটিতে অতি নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় রাস্তাটির অবস্থা আজ চলাচলে অনুপযোগী বলে দাবি স্থানীয়দের।
অন্যদিকে ফরিদপুর মোড় থেকে চারঘাট সদর ইউনিয়নের পরানপুর এলাকার সংযোগ সড়কটির অবস্থা একিবারেই ভগ্নদশা। প্রায় ৫ কিলোমিটারের এ সড়কটিকে অবৈধ ভাবে পুকুরের মাটি কেটে বড় বড় ড্রাম ট্রাকে মাটি বহনের জন্য এ সড়কটি আজ চলাচলের অনপযোগী হয়ে পড়েছে। এছাড়াও মাত্র ১বছর আগে বুদিরহাট থেকে ফুরিদপুর মোড়ে সড়কটি বিভিন্ন স্থানে দেবে গিয়ে সড়কটির করুন অবস্থা। কোথাও কোথাও কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছ।
স্থানীয়দের দাবি, অবৈধ পুকুর খনন বন্ধ এবং দ্রুত সড়ক পুনঃসংস্কারে সিডিউল মোতাবেক কাজ করলে সড়ক গুলো ফিরে পাবে প্রান। এসব সড়ক গুলোর কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে এক থেকে দেড় বছর আগে। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের গর্তে জমে থাকে পানি। গাড়ির চাকা গর্তে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাদাযুক্ত পানি ছিটকে পড়ে পথচারীদের ওপর। প্রতিনিয়তই এমন ঘটনা ঘটলেও যেন দেখার কেউ নেই।
স্কুল ছাত্রী রওশন আরাসহ একাধিক ব্যাক্তি জানান, ভাঙাচোরা সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভ্যানগাড়ি, ট্রলি মাইক্রোবাস, ছোট-বড় ট্রাক ও মোটরসাইকেল চলাচল করছে। পাশ কাটাতে গিয়ে দুঘর্টনার শিকার হচ্ছেন অনেকেই। আবার খানাখন্দের কারণে আজ সড়কগুলো আজ মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে। তাই দ্রুত সংস্কারের জন্য দাবি জানান তারা।
উপজেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক হোসেন জানান, সরজমিন তদন্ত করে যেসকল সড়ক চলাচলের ঝুকিতে রয়েছে সেগুলো চিহিৃত করে দ্রুত সস্কারের ব্যবস্থা নেয়া হবে।