, , ।
ঈশ্বরদী প্রতিনিধি: পাবনার ঈশ্বরদীতে বেড়াতে এসে এক মাদ্রাসা ছাত্রী (১৩) ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় ওই মাদ্রাসা ছাত্রীটির মা বাদী হয়ে রবিবার ২৩ আগস্ট রাতে ঈশ্বরদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত লম্পট মজিদ মন্ডলকে (২৭) কে গ্রেপ্তার করে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ। গ্রেপ্তাকৃত মজিদ মন্ডল ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের খয়ের দাইড় গ্রামের নিজাম মন্ডলের ছেলে।
গত শুক্রবার ২১ আগস্ট বিকেলে উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নের খয়ের দাইড় গ্রামে ওই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসা ছাত্রী মাগুরা সদর থানার বরুনাতৈল গ্রামের ভুট্টু আলী খাঁর মেয়ে। সে ওই গ্রামের হাফিজিয়া নূরানি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। ধর্ষণের শিক্ষার ওই মাদ্রাসা ছাত্রীকে সোমবার শারীরিক পরীক্ষার জন্য পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সুত্র জানায়, ধর্ষণের শিকার মেয়ে সহ তার মা গত ২০ আগস্ট দুপুরে ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের খয়ের দাইড় গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন তিনি। পরদিন ২১ আগস্ট বিকেল ৫টার দিকে তার শ্বশুরবাড়ি-সংলগ্ন রাস্তায় হাঁটাহাঁটি করছিল মেয়েটি। এ সময় আসামি মজিদ মন্ডল নানা প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েটিকে পাশের নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে মজিদ মন্ডল মেয়েটির হাত-পা বেঁধে এবং মুখে ওড়না পেঁচিয়ে প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে কাউকে কিছু না বলার জন্য ভয় দেখিয়ে চাকু দিয়ে মেয়েটির বাঁ হাতের তর্জনীতে আঘাত করে জখম করেন। ভয়ে মেয়েটি বিষয়টি কাউকে জানায়নি। পরে ২২ আগস্ট ব্যথায় কাতরাতে থাকলে তার মা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে পুরো বিষয়টি তার মাকে জানায়। তখন মেয়েকে সাথে নিয়ে থানায় এসে মামলা দায়ের করেন তার মা।
ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশাদুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় মেয়েটির মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মজিদ মন্ডলকে আসামি করে মামলা করেছেন। মামলার পরপরই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর মেয়েটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।