, , ।
ঈশ্বরদী প্রতিনিধি: পাবনার ঈশ্বরদীর মানিকনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির পদকে কেন্দ্র করে বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিরোধ প্রকাশ্যে এসেছে। ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শরিফ পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন।
শরীফ তার নিজের ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন ‘ঈশ্বরদী-আটঘরিয়ার ধানের শীষের প্রিয় অভিভাবকের কাছে প্রশ্ন, ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন বাবলু মহলদারের ছেলে এবং শেখ হাসিনার ডান হাত খ্যাত অবসরপ্রাপ্ত ডিআইজি নওশের সাহেবের ভাতিজা তুষার মহলদারের কাছে মানিক নগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির পদ কত টাকায় বেচলেন?
ফেসবুকের অপর এক আইডিতে দেখা যায়, পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবকে উদ্দেশ্যে করে তিনি এই পোষ্টটি দিয়েছেন। স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শরীফের এই পোষ্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে পুরো ঈশ্বরদী জুরেই তীব্র আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়েছে।
শরিফুল ইসলাম শরীফের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ একটি পরিবারের সদস্যকে বর্তমানে একটি স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি করা হয়েছে, যা দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তবে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা।
রবিবার সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, শরিফুল ইসলাম এর আগে বিদ্যালয়টির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ছিলেন। এবার অভিভাবকরা তাকে পরিচালনা পরিষদে না রাখায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়িয়েছেন। অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগের পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারবেন না বলেও দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে সোমবার শরিফুল ইসলাম শরীফ বলেন, ‘আমি যে অভিযোগ করেছি, তা আমার বিবেচনা ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে করেছি। জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকে দলে তার গ্রহণযোগ্যতা কমেছে, যে কোন মূহুর্তে দল থেকে ছিটকে পড়তে পারেন সেজন্য তিনি শেষ সময়ে নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত।’
এবিষয়ে পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।