সর্বশেষ সংবাদ :

রাজশাহীতে নানা আয়োজনে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত

স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস- ২০২৬। সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীতে যথাযোগ্য এ দিবসটি উদযাপন করা হয়। সোমবার সকালে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় চত্বরে বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, এমপি। উদ্বোধন শেষে একই স্থান থেকে ভূমিমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালির আগে ভূমিমন্ত্রী বিআরডিবির উপকারভোগীদের হাতে আম চারা তুলে দেন।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান উপস্থিত ছিলেন।
এরপর বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস- ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, বিআডিবির বিভাগীয় ও জেলা অফিসের আয়োজনে সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ও অগ্রগতির মাধ্যমেই বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মূল লক্ষ্য হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এবং এই লক্ষ্য অর্জনে গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন অপরিহার্য।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতাহারের প্রায় ৯০ ভাগ প্রতিশ্রুতিই গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত। গ্রামেই যেন শহরের সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা যায়, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সরকার ক্ষমতায় আসার তিন মাসের মধ্যেই ফ্যামিলি কার্ডের সূচনা করেছে। বিশেষ করে নারীদের সঞ্চয়ী মনোভাব এবং পরিবারের প্রতি তাঁদের দায়িত্বশীলতাকে সম্মান জানিয়ে এই কার্ড সরাসরি নারীর হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা প্রদানের মাধ্যমে একটি পরিবারকে স্বাবলম্বী করার এই উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদী সুফল বয়ে আনছে।
বিআরডিবির ভূমিকা তুলে ধরে বজলুর রশীদ বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটি গ্রামীণ নারী-পুরুষদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তুলছে এবং ক্ষুদ্রঋণ প্রদানের মাধ্যমে তাদের প্রতিভাকে বিকশিত করার সুযোগ দিচ্ছে। এসময় তিনি ঋণের অর্থ যথাসময়ে পরিশোধ করে এই প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার, হাবিবুর রহমান ও চিত্রলেখা নাজনীন, বিআরডিবির যুগ্মপরিচালক বকুল চন্দ্র রায়, বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের পরিচালক ড. কস্তুরী আমিনা কুইন, বিভাগীয় সমবায় কার্যালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক মো. মোখলেছুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী, উপকারভোগী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বিভাগীয় কমিশনার।
পবা: দেশের টাকা দেশেই রাখা হবে। জনগণের প্রতি শতভাগ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। উন্নয়নমূলক প্রকল্পের টাকা নিয়ে কেউ দিল্লি, দুবাই, লন্ডন কিংবা আমেরিকায় বিলাসবহুল জীবন কাটাতে বা বেড়াতে যাবেন না। বরং গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এই টাকা স্থানীয় পর্যায়েই বিনিয়োগ করা হবে।”
সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে রাজশাহীর পবা উপজেলায় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেছেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. শফিকুল হক মিলন। জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “আপনাদের কাছে আমরা জবাবদিহি করতে বাধ্য। সব সময়ের জন্যই এই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করব।”
তিনি বলেন, গ্রামীণ জনপদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন করতে হলে স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে। এ জন্য গ্রামীণ পর্যায়ে অর্জিত অর্থ গ্রামেই বিনিয়োগের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, “গ্রামীণ পর্যায়ে অর্জিত প্রতি ১০ টাকার মধ্যে সাড়ে ৯ টাকা স্থানীয় অর্থনীতিতেই খরচ করা হবে। আর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুন্দর ও সুরক্ষিত ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বাকি ৫০ পয়সা সঞ্চয় হিসেবে জমা রাখা হবে।” তিনি আরও বলেন, পল্লী উন্নয়ন কাঠামো শক্তিশালী করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। গ্রামীণ অবকাঠামো সচল রাখতে, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরি করতে এবং সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এমপি মিলন বলেন, পল্লী উন্নয়ন দিবস শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি গ্রামীণ অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার একটি কার্যকর উদ্যোগ। এর মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করা, উপকারভোগীদের সহায়তা করা এবং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পথ আরও সুগম হবে। অনুষ্ঠানে প্রতীকীভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কয়েকজন উপকারভোগীর মাঝে আর্থিক সহায়তা ও এসএমই ঋণ বিতরণ করা হয়। এ বিষয়ে এমপি মিলন বলেন, “আজ ৬ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই দিবস প্রতি বছর নিয়মিতভাবে পালিত হবে। এটি গ্রামীণ অবকাঠামো সচল রাখতে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।”
‘উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পবা উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে পল্লী উন্নয়ন দিবসের যাত্রা শুরু হয়। গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল রাখা, স্থানীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং টেকসই অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এ দিবসের আয়োজন করা হয়। এর আগে বেলুন উড়িয়ে পল্লী উন্নয়ন দিবসের উদ্বোধন করা হয়। পরে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে পবা উপজেলা অডিটরিয়ামে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইবনুল আবেদীন। তিনি বলেন, গ্রামের মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানো, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরি এবং স্থানীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা পল্লী উন্নয়নের অন্যতম লক্ষ্য। সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে উপজেলা প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন- বিআরডিবি কর্মকর্তা শামসুন্নাহার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান, জেলা বিএনপির সদস্য শাহাজাহান আলী, পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াদুদ হাসান পিন্টু, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা ও সদস্য মাজদার রহমান। এ ছাড়া বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিআরডিবির সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
মান্দা: উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে পরিষদের হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মকলেছুর রহমান মকে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা হামিদুর রহমান খন্দকার, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প কর্মকর্তা সেলিনা বেগম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষক সমবায়ী ও পল্লী উন্নয়ন দলের সদস্যবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। শেষে পল্লী জীবিকা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চকরঘুনাথ মহিলা পল্লী উন্নয়ন দলের ১১ জন সদস্যের মাঝে ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকার ক্ষুদ্র ঋণ এবং কৃষক সমবায়ী ও পল্লী উন্নয়ন দলের সদস্যদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
নাচোল: উপজেলা প্রশাসন ও বিআরডিবি এর আয়োজনে র‌্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ হল রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রিয়াংকা দাস এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুলতানা রাজিয়া, নাচোল উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের খোকন, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দুরুল হোদা, উপজেলা জামায়াতের আমীর ইয়াকুব আলী, পৌর জামাতের আমীর মনিরুল ইসলাম, বীরমুক্তিযোদ্ধা এরফান আলী,কসবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকারিয়া আল মেহরাব।
এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ। আলোচনা শেষে ইসলামপুর সদাবিক পুরুষ দলের মামুনুর রশিদ ও ওপূর্ব মির্জাপুর সদাবিক মহিলা দলে আকতারা বেগমকে উদ্যোক্তা ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। শিংরোল সমবায় সমিতি লিঃ এর হাসান আলীকে ও আখিলা মহিলা পল্লী উন্নয়ন দলের আরফিনা খাতুনকে ক্রেস ও পূর্ব মির্জাপুর কৃষক সমবায় সমিতি লিঃ এর আব্দু কাদের ও নাচোল কলেজ পাড়া মহিলা উন্নয়ন দলের নাদিরা বেগমকে গাছের চারা প্রদান করা হয়।
নওগাঁ: র‌্যালি, আলোচনা সভা, ঋণ বিতরণ ও গাছের চারা বিতরনের মধ্যে দিয়ে নওগাঁয় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি র‌্যালিবের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। এসময় সিভিল সার্জন ডা: আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিন মাহমুদ, নওগাঁ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের উপ-পরিচালক সামছুর রহমানসহ বক্তব্য রাখেন। পরে এক উদ্যোক্তা দেড় লাখ টাকা ও ৯জন ৩ লাখ ৯০ হাজার হাজার টাকার ঋণ বিতরণ, গাছের চারা বিতরণ ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
গোদাগাড়ী: উপজেলা প্রশাসনিক ভবন চত্বরে বেলুন উড়িয়ে র‌্যালির উদ্বোধন করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামসুল ইসলাম। এইসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা, কৃষি কর্মকর্তা মরিয়ম আহমেদ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা সায়লা শারমিন, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান, নির্বাচন কর্মকর্তা পারভেজ আহমেদ, সমবয় কর্মকর্তা জিগার হাসরত প্রমূখ। র‌্যালিটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। উপজেলা অডিটোরিয়ামে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্বাগত বক্তব্য দেন বিআরডিব কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা ।
কর্মসূচিতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিআরডিবির কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা পল্লী উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন এবং টেকসই উন্নয়নে সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে সকলের সম্মিলিত সহযোগিতার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের শেষে উপকারভোগীদের মাঝে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
আত্রাই: আত্রাই উপজেলা কার্যালয়ের আয়োজনে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়। দিবসের শুরুতে সকাল ১০:০০ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। এরপর সকাল ১০:১৫ টায় সমবায়ী ও সুবিধাভোগীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে মূল আলোচনা সভা শুরু হয়। আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ তোফাজ্জল হোসেন মীরের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন, ৫১, নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ মোঃ রেজাউল ইসলাম। উপজেলা প্রতিবন্ধী প্রতিনিধি পি.এম কামরুজ্জামান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ প্রসেনজিৎ তালুকদার, আত্রাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আব্দুল জলিল চকলেট, সাধারণ সম্পাদক মো. তসলিম উদ্দিন, যুগ্ম- সম্পাদক মো. আব্দুল মান্নান সরদার।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শেখ মোঃ রেজাউল ইসলাম বলেন, স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে পল্লী অঞ্চলের উন্নয়ন অপরিহার্য। বর্তমান সরকার গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল করতে এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ‘উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে বুকে ধারণ করে আমাদের সমবায় ও পল্লী উন্নয়নের ধারাকে আরও বেগবান করতে হবে। তিনি আরও বলেন, পল্লী অঞ্চলের মানুষের মাঝে ঋণ বিতরণ, আধুনিক কৃষির প্রশিক্ষণ এবং গাছের চারা বিতরণের মতো সরকারের এই উদ্যোগগুলো গ্রামীণ নারীদের স্বাবলম্বী করছে এবং দেশের সামগ্রিক জিডিপিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তিনি সবাইকে মিলে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভা শেষে সমবায়ী ও সুফলভোগীদের মাঝে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। দুপুরে উপস্থিত সকলের মাঝে আপ্যায়ন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে গ্রামীণ উদ্যোক্তা ও সমবায়ীদের মাঝে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সহজ শর্তে ঋণ বিতরণ করা হয়।
একই সাথে সরকারি সহায়তার অংশ হিসেবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালের আয়োজনে ২৭ জনকে ৫৪ বান ঢেউটিন, ৩২ জনকে নগদ ৩৫০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা এবং ঐচ্ছিক তহবিল থেকে বিশেষ চেক বিতরণ করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিপুল সংখ্যক সমবায়ী ও সুফলভোগী উপস্থিত ছিলেন।
শাহজাদপুর: সারাদেশের ন্যায় শাহজাদপুর উপজেলা পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) দিবসটি পালন করেন। এই দিবসটি উপলক্ষে শাহজাদপুর বিআরডিবি বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছেন এরমধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, গ্রামীন উদ্যোক্তাদের মাঝে ঋণ বিতরণ, গাছ বিতরণ, এবং র‌্যালি। শাহজাদপুর পল্লী উন্নয়ন বোর্ড সকাল ১০টায় র‌্যালি বের করে শাহজাদপুর প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে উপজেলা হলরুমে আলেচনা সভার আয়োজন করেন। জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা শারমিন। সাবরিনা শারমিন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার মাসুদ রানা, শাহজাদপুর থানা অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম। আরো উপস্থিত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা সহ পল্লী উন্নয়নের কর্মচারীবৃন্দ সহ আরো উপস্থিত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন বোর্ড সকল সদস্য এবং শাহজাদপুর সৃজনশীল মানুষের এক অংশ। আলোচনা সভার শেষে সম্নাননা ক্রেস্ট ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
সিংড়া: উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি সিংড়া পৌরশহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড় প্রদক্ষিণ করে। এতে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন পেশাজীবী ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ অংশ নেন।র‌্যালি শেষে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রিফাত-এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও, তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক শারফুল ইসলাম বুলবুল।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিশাত আনজুম, পৌর বিএনপির আহবায়ক সাখাওয়াত হোসেন সাখা, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন (বিআরডিবি) সভাপতি ও তাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো: শাহাদাৎ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও ডায়াবেটিকস সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিলন হোসেন মাষ্টার, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা নির্মল কুমার, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও গোল-ই আফরোজ সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি এডভোকেট মোঃ শামীম হোসেন, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন (বিআরডিবি) সাবেক সভাপতি আফছার আলী, সিংড়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মহিদুল ইসলাম।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, একটি দেশের সার্বিক উন্নয়ন নির্ভর করে তার তৃণমূল বা গ্রামীণ অর্থনীতির মজবুত ভিত্তির ওপর। পল্লী অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমেই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। বক্তারা সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে পল্লী উন্নয়নের ধারাকে আরও বেগবান করার জন্য দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
আদমদীঘি: বগুড়ার আদমদীঘিতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। বেলা ১১ টায় উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) আয়োজনে পরিষদ চত্বর থেকে এক র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষের চারা বিতরনের পর উপজেলা সভাকক্ষে এক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা বেগমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদার।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার ডাঃ বেনজির আহম্মেদ, সিনিয়র মৎস্য অফিসার নাহিদ হোসেন, কৃষি অফিসার রবিউল ইসলাম, প্রকৌশলী রিপন কুমার সাহা, পল্লী উন্নয়ন অফিসার জাহিদুল আনোয়ার, থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান মিয়া, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল মোক্তাকিন তালুকদার মুক্তা, বিআরডিবি চেয়ারম্যান মোমিনুর রশিদ তালুকদার মিম প্রমূখ।
ভোলাহাট: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) ভোলাহাট কার্যালয় থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ইউসিসিএল কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। পরে ভোলাহাট ইউসিসিএল-এর সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পল্লী ইউনিয়ন কর্মকর্তা মোঃ সবুজ আলী। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ভোলাহাট ইউসিসিএল লিমিটেড এর সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান, ভোলাহাট সদর ইউনিয়নের সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইয়াজদানি জর্জ, সমবায় প্রতিনিধি আব্দুল মালেক। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পল্লী উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করা সম্ভব। গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন এবং সমবায়ভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দিবসটির প্রতিপাদ্য বাস্তবায়নে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা। এ সময় বিআরডিবির কর্মকর্তা-কর্মচারী, ইউসিসিএল-এর সদস্য, বিভিন্ন সমবায় সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাগমারা: উপজেলা পরিষদ হল রুমে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপকারভোগীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়। র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা কে. এম. গোলাম মোস্তফা, বাগমারা প্রেসক্লাবের সভাপতি রাশেদুল হক ফিরোজ, সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিনসহ বিভিন্ন সমবায় সমিতির সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। এছাড়াও এই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ৫০ জন সমবায়ীর মাঝে মোট ৩০ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই উন্নয়নে পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।
কালাই: কালাই উপজেলা পরিষদ ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (ইজউই) এর আয়োজনে জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে গিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কালাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম আরা। কালাই উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মো. সোহেল রানার স্বাগত বক্তব্যর পরে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মাহবুব, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মো. ইব্রাহিম হোসেন মন্ডল, উপজেলা পশু সম্পদ অফিসার ডা. মনিরুজ্জামান, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. হারুনুর রশিদ, কালাই পল্লী উন্নয়ন অফিসের সাবেক চেয়ারম্যান মো. রেজাউল ইসলাম প্রমূখ। অনুষ্ঠানে প্রায় শতাধীক সমবায়ি, সুধীজন ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


প্রকাশিত: জুলাই ৭, ২০২৬ | সময়: ৪:১৭ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ

আরও খবর