, , ।
ইমাম হোসেন, সানশাইন:
রাজশাহীর পুঠিয়ায় সব রকম তেলের নিয়ে গুঞ্জন। ওই গুঞ্জনে দামেও অনেকটা প্রভাব ফেলেছে। যেকোনো সময় পেট্রোল, ডিজেল, ও ভোজ্য তেল বাজার হতে উড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও সরকারি ভাবে সব রকম তেলের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। মুলত ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের কারণে এমন গুঞ্জন উঠেছে। অন্যদিকে যেকোনো সময় ওই গুঞ্জন রুপ নিতে পারে গুজবে।
এসব গুঞ্জনের ফলে ইতোমধ্যেই হাট-বাজার ও রাস্তার ধারে যেসব দোকানে খোলা বাজারে পেট্রোল বিক্রি করা হচ্ছে, সেসব স্থানে দামও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো সব ধরনের তেলের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। কোথাও দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়নি। রাস্তার ধারে অথবা খোলা বাজারে দুদিন আগেও এক লিটার পেট্রোল বিক্রি হতো ১ শত ৩০ টাকায়, সেসব স্থানের কোথাও কোথাও ১ শত ৬০ টাকা নেয়ার মতোও ঘটনা ঘটেছে।
এসব গুঞ্জনের বিষয়ে পুঠিয়া ও তাহেরপুরে ফিলিং স্টেশন গুলোতে নজর দিলে অনেকটাই সত্যতা পাওয়া যায়। বাগমারা থেকে যাওয়ার সময় সজিব নামের এক ব্যক্তি মোটরসাইকেলে তাহেরপুরে পেট্রোল কিনতে দেখা যায়, জিজ্ঞেস করতেই বলছেন, কখন কি হয় জানি না। শুনছি দামও নাকি বেড়ে যাবে, তাই মোটরসাইকেলে একটু বেশি করে তেল তুললাম। অপরদিকে গুঞ্জনের বিষয়টি আরো একটু যাচাই করতে পুঠিয়ায় মোটরসাইকেলে পেট্রোল নিতে আসা কয়েকজনের সাথে কথা হয়। তারাও বিভিন্ন জায়গায় শুনছেন দাম বৃদ্ধির আশঙ্কার কথা। তাই কাছে অতিরিক্ত টাকা না থাকলেও কিছুটা বেশি করে পেট্রোল কিনছেন। পাশাপাশি বলছেন পারলে খাবার তেল একটু বেশি করে কিনে রাখুন পরে হয়তো পাবেন না। এই গুঞ্জন যদি গুজবে রূপ নেয় ক্ষতিগ্রস্ত হবেন সাধারণ মানুষ। পেট্রোল পাম্প গুলোতে ইতোমধ্যে ২ শত টাকার বেশী পেট্রোল কিনতে পারছেন না গ্রাহকরা। অপরদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে এখনো তেল মজুদ আছে।
এছাড়াও অনেকে ধারণা করছেন বাংলাদেশে খুব একটা প্রভাব পড়বে না কিন্তু মানুষ যদি সচেতন না হয়ে চাহিদার বেশি করে তেল কিনতে থাকে তাহলে দেখা যাবে এমনিতেই তেলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
তাহেরপুর তেল পাম্পের মালিক মাসুদুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত তেলের কোনো ঘাটতি বুঝতে পারেনি। তবে ব্যাপক চাহিদা বেড়ে গেছে। তেল আগের দামে বিক্রি হচ্ছে। বরাবর সরকারের নির্দেশনা মেনে পেট্রোল বিক্রয় চলছে।
সানশাইন /শামি