, , ।
ঈশ্বরদী প্রতিনিধি: বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠপুত্র মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর বিরুদ্ধে কটুক্তিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় জামায়াত নেতা ও বির্তকিত বক্তা আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ঈশ্বরদী বিএনপির নেতাকর্মীরা।
শনিবার রাতে ঈশ্বরদী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে শুরু হয়ে পোস্ট অফিস মোড় অতিক্রম করে ঈশ্বরদী হাসপাতাল সড়ক ও কলেজ রোড প্রদক্ষিণ করে চাঁদ আলী মোড় হয়ে ঈশ্বরদী পুরাতন রিক্সা স্ট্যান্ডে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা আমির হামজার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ও পাবনা-৪ আসনের এমপি পদপ্রার্থী মোঃ জাকারিয়া পিন্টু। সভাপতির বক্তব্য দেন ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শামসুদ্দিন আহমেদ মালিথা।
আয়োজিত কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এস এম ফজলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ইসলাম হোসেন জুয়েল, আটঘরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও মাঝপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ খাঁন, বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন জনি, নান্নু রহমান, জাহাঙ্গীর হোসেন, টুটুল সরদার, আক্কাস আলী খাঁন, পৌর তাঁতি দলের আহবায়ক খোন্দকার আমিরুল ইসলাম, পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক মামুনুর রশিদ নান্টু, সদস্য সচিব মাহামুদুর রহমান ফুল জুয়েল, ছাত্রদল নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বিটু, ইমরান হোসেন সোহাগ ও মাহ্মুদুল ইসলাম শাওন প্রমূখ।
বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাকারিয়া পিন্টু বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি। তারা রাজাকার, তারা মোনাফেক, তাদের আস্ফালন দেখে সত্যিই দুঃখ লাগে। আমির হামজার মত একটা কুলাঙ্গার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছোট ছেলে ক্রীড়া সংগঠক আরাফাত রহমান কোকোর বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য করে। ওর জ্বিব টেনে ছিরে ফেলা উচিত। মিথ্যা ও অশালীন বক্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে জাতীয় কাছে ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত আমির হামজাকে ঈশ্বরদীতে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন পিন্টু।
জাকারিয়া পিন্টু বলেন, ধানের শীষের সাথে দাঁড়িপাল্লার কোন আবেগ নাই। ধানের শীষ স্বাধীনতার পক্ষের প্রতীক আর দাঁড়িপাল্লা স্বাধীনতার বিপক্ষের প্রতীক। ধানের শীষের আবেগ কাজে লাগিয়ে একটি পক্ষ সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করছে, পিন্টু প্রশ্ন রাখেন গত ১৬-১৭ বছর তারা কোথায় ছিলেন?
প্রসঙ্গত: কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বির্তকিত বক্তা আমির হামজার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে আমির হামজা প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে একটি কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্য করেন। তারপর থেকেই ফুঁসে উঠেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।