, , ।
স্টাফ রিপোর্টার, বড়াইগ্রাম: পিঠা বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতির অংশ। শীতকালে গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে পিঠা পুলির আয়োজন হলেও শহুরে ব্যস্ততায় অনেকেই পিঠা-পুলির স্বাদ ভুলতে বসেছেন। তাই নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রামীণ ঐতিহ্য ও হরেক রকমের পিঠা-পুলির পরিচয় তুলে ধরতে বড়াইগ্রাম উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়।
সোমবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি উপজেরা নির্বাহী কর্মকর্তা লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ডালিয়া পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মলয় কুমার কুন্ডু, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন ও খাদ্য নিয়ন্ত্রক ডালিম কাজীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পিঠা উৎসবে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্য, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও সুধীজনেরা অংশ নেন।
পিঠা উৎসবে আটটি স্টলে অংশগ্রহণকারীদের নিজেদের তৈরী দুধ পুলি, তক্তি, নকশি পিঠা, পাতা পিঠা, ফুল পিঠা, পাটি সাপটা, দুধ চিতই, চন্দনকুলি, চৈ পাকান, চিতই, ভাপা, তাল পিঠা, নারকেলের চিড়া, রসপান, হৃদয়হরন, গোকুল পিঠা, দুধ সুন্দরী, ভ্যানিলা কেক সহ প্রায় অর্ধ শতাধিক প্রকার রসালো ও মুখরোচক পিঠা ছিল। ভোজন রসিকরাও এসব পিঠা খেয়ে নানা প্রশংসা করেছেন। তারা বিভিন্ন স্টল ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং পিঠার স্বাদ নেন। একই সঙ্গে তারা সন্তানদেরকে উৎসবে নিয়ে এসে বাহারী স্বাদ আস্বাদন সহ হরেক রকম পিঠার সাথে পরিচয় করিয়ে দেন।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ডালিয়া পারভীন বলেন, ব্যস্ততাপূর্ণ জীবনে অনেক পিঠার সাথেই আমাদের পরিচয় হারিয়ে যাচ্ছে। কিছু পিঠার নাম জানা থাকলেও স্বাদ মনে নেই। আজকের এই উৎসবে সেসব পিঠা খেয়ে ছোট বেলার অনেক স্মৃতিচারণ করলাম। গ্রামবাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে এভাবে শীতের পিঠা উৎসব হোক।
ইউএনও লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, গ্রামগঞ্জে বিশেষ করে শীতকালে প্রতিটি বাড়িতে নানা ধরণের পিঠাপুলি তৈরি হয়। বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্যে পিঠা-পুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে বহুকাল ধরে। কারে ভীড়ে আমাদেরকে সারা বছর ধরেই ব্যস্ত সময় কাটাতে হয়। তাই প্রতিদিনের ব্যস্ততার ভীড়ে একটু মানসিক প্রশান্তির পাশাপাশি লোকজ ও নান্দনিক সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ হিসাবেই এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।
নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহার করা যাবে না খেলোয়াড়দের
স্পোর্টস ডেস্ক: আগামী ফেব্রুয়ারিতে হতে যাচ্ছে জাতীয় নির্বাচন। আর নির্বাচনের আগে খেলোয়াড়দের নিয়ে সংসদ সদস্য প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারের রীতি বাংলাদেশে নতুন কিছু নয়। অনেক খেলোয়াড় নিজ থেকেও ছুটে যান নানা উদ্দেশে। এবার অবশ্য এই দৃশ্য দেখা যাবে না। খেলোয়াড়দের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহার করার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)।
উপসচিব আমিনুল এহসানের স্বাক্ষর করা এক বিবৃতিতে ক্রীড়া পরিষদ জানায়, জাতীয় দলের কোনো খেলোয়াড়কে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রচারণায় বা কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে ব্যবহার করা যাবে না; খেলোয়াড়দের কোনো নির্বাচনী সভার মঞ্চে বা প্রচারণামূলক কার্যক্রমে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে; সকল খেলোয়াড়কে তাদের ক্রীড়া নৈপুণ্যের মাধ্যমে দেশের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে ব্যক্তিগতভাবে সচেষ্ট থাকতে হবে এবং এ বিষয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।
ক্রীড়া পরিষদ আরও জানায়, উপরিউক্ত নির্দেশনাসমূহের যে কোনো ব্যত্যয় দেশে চলমান সুস্থ ধারার ক্রীড়া পরিবেশকে মারাত্মকভাবে কলুষিত করতে পারে যা একেবারেই অনভিপ্রেত। তাই দেশের সার্বিক কল্যাণে নির্দেশনাসমূহ যথাযথভাবে পরিপালন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হলো।