সর্বশেষ সংবাদ :

শিক্ষকদের কর্মবিরতিতে স্থবির শিক্ষা

সবুজ ইসলাম: নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলার কড়িদহ উচ্চ বিদ্যালয়। সময় মতো বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা উপস্থিত হলেও কেউ ক্লাসে যাননি। অফিসে বসেই সময় কাটিয়েছেন তারা। গ্রাম কিংবা শহরে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চিত্রই একই। চাকুরি জাতীয়করণ, ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, এক হাজার ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং কর্মচারীদের ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতা প্রদানের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর ঢাকায় পুলিশের হামলার প্রতিবাদে সব প্রতিষ্ঠানেই শিক্ষকদের এ কর্মবিরতি ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। কয়েকদিনের এই কর্মবিরতিতে শিক্ষা ব্যবস্থা কার্যত থমকে গেছে।
সারাদেশব্যাপী বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চলমান কর্মবিরতির অংশ হিসেবে রাজশাহীতেও স্থবির হয়ে পড়েছে শিক্ষা কার্যক্রম। সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসায় ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে।
কড়িদহ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক একরামুল হকসহ অন্য শিক্ষকরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন থেকে তারা সরকারি সুবিধা বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছেন, কিন্তু বাস্তবায়ন হয়নি। তাদের মূল দাবিগুলো হলো, বেসিক বেতনের ২০ শতাংশ বাড়ি ভাতা, চিকিৎসা ভাতা এক হাজার ৫০০ টাকা, কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ।
কর্মবিরতির শুরুর দিন থেকে রাজশাহী মহানগর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। জেলার পবা, মোহনপুর, গোদাগাড়ী ও বাগমারা উপজেলায় শিক্ষকরা মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। যতো দিন গড়াচ্ছে শিক্ষকরা তাদের কঠোর অবস্থানে যাচ্ছেন।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকালে রাজশাহী আঞ্চলিক শিক্ষা ভবনের সামনে বৈষম্য বিরোধী শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম, রাজশাহী অঞ্চলের উদ্যোগে একটি কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় রাজশাহীর বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় এক হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারী অংশ নেন। বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা হাতে নানা প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে স্লোগান দেন ‘শিক্ষকের যোগ্য সম্মান দিতে হবে’, ‘এক দফা এক দাবি জাতীয়করণ চাই’, ‘শিক্ষক মানে জাতির মেরুদণ্ড’, ‘ভিক্ষুক নয়, আমরা শিক্ষক’ ও ‘ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন করো, শিক্ষক সমাজ বাঁচাও’।
সমাবেশে আদর্শ ডিগ্রি অনার্স কলেজের অধ্যক্ষ সেরাজুল হক বলেন,“শিক্ষকদের চাকুরী জাতীয়করণ এখন সময়ের দাবি। দেশের সব পেশার মানুষ যখন সুবিধা পাচ্ছে, তখন শিক্ষকরা কেন পিছিয়ে থাকবে? একজন শিক্ষককে সম্মান না দিলে জাতির ভবিষ্যৎ কখনও গড়ে উঠবে না। সরকারের প্রতি আহ্বান, দ্রুত আমাদের দাবি মেনে নিতে হবে।”
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি পবা উপজেলা শাখার সচিব মহররম আলী খান বলেন, “সরকার প্রতি বছর বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর কথা বললেও শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নের উদ্যোগ খুবই সীমিত। সরকারি চাকরিরত বাইরে যারা কাজ করেন, তাদের অবস্থাও করুণ। ন্যায্য ভাতা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধি না হলে শিক্ষক সমাজের মধ্যে গভীর হতাশা তৈরি হবে।”
তিনি আরও বলেন, ‘যে জাতি শিক্ষকদের সম্মান দিতে জানে না, সে জাতি কখনও উন্নত হতে পারে না। আমাদের দাবি একটাই শিক্ষকদের মর্যাদা ও প্রাপ্য অধিকার ফিরিয়ে দাও।’
এ আন্দোলন শুধু রাজশাহীতে নয়, বরং সারাদেশের প্রায় সব জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। ঢাকায় আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনার পর থেকে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রতিবাদেই শিক্ষকরা দেশজুড়ে ক্লাস বর্জন ও ধর্মঘট কর্মসূচি শুরু করেছেন।

ধর্মঘটের ফলে রাজশাহীর শিক্ষা ব্যবস্থা কার্যত থমকে গেছে। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে, পরীক্ষার সময়সূচি অনিশ্চিত হয়ে গেছে। অভিভাবকরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, দীর্ঘস্থায়ী আন্দোলনের কারণে শিক্ষাবর্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। সরেজমিনে কয়েকটি বিদ্যালয়ে গেলে দেখতে পাওয়া যায়, ক্লাসে না গিয়ে শিক্ষকেরা নিজেদের রুমে বসে আছে। তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত তাদের ন্যায্য দাবি মেনে প্রজ্ঞাপন জারি করা হচ্ছে, ততক্ষণ কোনো ক্লাস নিবেন না তারা।
বিদ্যালয়ে হোসাইন আল শান্ত নামের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘স্যারেরা আমাদের ক্লাস না নেওয়ায় আমাদের পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে। আমরা চাই সব সমস্যা দ্রুত সমাধান হয়ে আমাদের স্যারেরা আমাদের শ্রেণীকক্ষে ফিরে আসে।’
একই শ্রেণির সাথী খাতুন বলেন, ‘সামনে আমাদের স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা আছে। এইসময় যদি আমাদের ক্লাস না হয়, তাহলে আমরা তো পিছিয়ে পড়বো। তাই আমরা চাই আমাদের ক্লাস যেন শুরু হয় এবং আমরা পড়াশোনায় মনযোগী হতে পারি।’
এই বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আ.ন.ম. মোফাখখারুল ইসলাম বলেন, শিক্ষকদের এই কর্মসূচি আমাদের সাথে না, এটা সরকারের কাছে শিক্ষদের বিভিন্ন দাবীতে তারা মানবন্ধন করছে। তবে বিষয়টা হলো একটি কর্মবিরতী চললে অবশ্যই শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
রাজশাহীর শিক্ষকরা জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত না এলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্থবিরতা আরও গভীর হতে পারে।
পবা: উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের আয়োজনে নওহাটা ছালেহিয়া দারুচ্ছুন্নাত ফাজিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি নওহাটা পৌর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নওহাটা কলেজ মোড়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়।
নওহাটা ছালেহিয়া দারুচ্ছুন্নাত ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলতাফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা বলেন, “আমরা ভিক্ষুক নই, আমরা শিক্ষক। আমাদের প্রাপ্য মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করছি। শিক্ষক সমাজের দাবি অগ্রাহ্য করা হলে সারাদেশে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”
বক্তব্য দেন তেতুলাডাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আক্কাস আলী, নওহাটা আঞ্জুমানে তাওহীদ দাখিল মাদরাসার সুপার এনামুল হক, নওহাটা কেন্দ্রীয় মডেল মসজিদের ইমাম ও শিক্ষক আল-আমিন, অধ্যাপক আমান উল্লাহ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শান্তিনগর দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মাহবুবুর রহমান। কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা আবু তাহের।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শিতলাই রফাতুল্লাহ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বেলাল উদ্দিন, জাগিরপাড়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাহতাব উদ্দিন, আলীগঞ্জ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নুর মোহাম্মদ খান, খোলাবনা আলিম মাদ্রাসার প্রধান মিকাইল, সারাংপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার হাবিবুর রহমান, বশিরাবাদ আলিম মাদ্রাসার প্রধান ইয়াহিয়া, দারুশা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ইউনুছ আলী, দারুল ইহসান দাখিল মাদ্রাসার সুপার আবু তাহের, তেঘর দাখিল মাদ্রাসার সুপার রেজওয়ানুল হক পিনু, শ্যানপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার শফিকুল ইসলামসহ উপজেলার সবকটি মাদ্রাসার শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ।
চারঘাট: চারঘাট পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বাজারের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিন শেষে চারঘাট বাজার চার রাস্তার মোড়ে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক রাশিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক তারিকুল ইসলাম মান্নাফ,মহিলা কলেজের অধ্যাপক মনিমুল হক, অণুপমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম, রাওথা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তপু রায়হান প্রমুখ।
বক্তারা পুলিশ প্রশাসনকে হুশিয়ারী উচ্চারন করে বলেন,আর যদি কখনও কোন শিক্ষকের গায়ে লাঠির আঘাত করেন আমরা সারা বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজ রাস্তায় দাড়িয়ে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে উচিত জবাব দেয়া হবে। মনে রাখবেন আপনারাও শিক্ষকের কাছে লেখা াড়া করেই আজ পুলিশে চাকুরী করছেন। আমরা মনে করি “শিক্ষককে অপমান করা মানে গোটা শিক্ষা সমাজকে অপমান করা। দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আমরা শিক্ষক সমাজ শান্তিপূর্ণ ভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাব। উপজেলার সরকারি, বেসরকারি স্কুল ও মাদ্রাসা সমূহের শিক্ষক-কর্মচারীরা সমাবেশে অংশ গ্রহন করেন।
জয়পুরহাট: কালাই বাসস্ট্যান্ড চত্বরে বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয়করণ প্রত্যাশী ঐক্যজোট ব্যানারে জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা জোটবদ্ধ হয়ে শ্রেণীকক্ষে পাঠদান বন্ধ রেখে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা প্রায় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কমসূচী পালন করেন। শিক্ষকদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী চলাকালিন সময়ে শিক্ষককে লাঠিপেটা করা কেন হলো। দ্রুত তাদের দাবী মেনে নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে এবং যারা শিক্ষকদের টিয়ারসেল নিক্ষেপ, লাঠিপেটা ও জলকামান ব্যবহার করে নির্যাতন করেছে তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
মানববন্ধন চলাকালিন সময়ে বক্তব্য রাখেন কালাই ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম, থুপসাড়া সেলিমিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট মতিয়র রহমান, মোলামগাড়ীহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাদ্দেক হোসেন, হাতিয়র কামিল মাদ্রাসার সহকারি অধ্যাপক শামীম রেজা, কালাই মহিলা বিএম কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল করিম প্রমুখ।
হাতিয়র কামিল মাদ্রাসার আরবি বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মাওলানা সেলিম রেজা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঢাকায় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীতে প্রশাসনের যারা আমাদের ওপর লাঠিচার্জ করেছেন, তারাও কোনো না কোনো শিক্ষকের কাছ থেকেই শিক্ষা অর্জন করেছেন। এখন মনে হচ্ছে আমাদেরই ছাত্ররাই আজ আমাদের ওপর নির্যাতন করছে। তিনি আরও বলেন, যারা শিক্ষকদের টিয়ারসেল নিক্ষেপ, লাঠিপেটা ও জলকামান ব্যবহার করে নির্যাতন করেছে তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সেই সাথে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। শিক্ষকরা মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
মহাদেবপুর প্রতিনিধি: মহাদেবপুর উপজেলার এমপিও ভুক্ত শিক্ষক কর্মচারী আয়োজিত মানববন্ধনে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা মোঃ বেলায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন নওগাঁ জেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল গফুর, মহাদেবপুর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ আলহাজ মোঃ মোবারক আলী, এনায়েতপুর ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ (সাবেক) মোঃ এনামুল হক, জেলা শিক্ষক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক আমজাদ হোসেন, মহাদেবপুর ভোকেশনাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের সুপারিনটেনডেন্ট মোঃ মামুনুর রশিদ, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সদস্য মোঃ সানোয়ার হোসেন মানিক, মোসাঃ ফাতেমা খাতুন প্রমুখ। মাবনবন্ধনে একাত্বতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ রবিউল আলম বুলেট, উপজেলা জামায়াতের আমির মোঃ আব্দুল আজিজ সুমন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর নেতা মাওলনা নাসির বীন আজগর, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম, এনসিপির নেতা মোঃ আমিনুল হক প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে এমপিও ভুক্ত শিক্ষকগণ একটি র‌্যালি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে স্মারক লিপি প্রদান করেন।


প্রকাশিত: October 15, 2025 | সময়: 7:14 am | সুমন শেখ

আরও খবর