বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
নুরুজ্জামান,বাঘা :
রাজশাহীর বাঘায় জাতীয় কন্যা শিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সভায় কন্যা শিশুদের সুরক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সব ধরণের ভেদাভেদ ও বৈষম্য দূর করার আহবান জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মি আক্তার। বুধবার সকালে(৮ অক্টবর) জাতীয় কন্যা শিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র্যালী পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সকাল ১০ টায় উপজেলা সম্মেলন কক্ষে এই দিবসটির উপরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রতিবন্ধী ও সাহায্য কেন্দ্রের অফিসার মনসুর আলীর সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন অনুষ্ঠানের আয়োজক ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার নাসরিন আকতার ।
এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নির্বাহী অফিসার বলেন, আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ । তবে আমাদের সমাজে কন্যা শিশুদের একটু ভিন্ন চোখে দেখা হয় । এটা মোটেও সমচিত নয় । এখন নারীরা সাহসের সাথে পাইলট থেকে শুরু করে দেশের কল্যাণে সকল সেক্টরে কাজ করছে।
তিনি আরো বলেন, এই দিবসের উদ্দেশ্য হলো কন্যা শিশুদের প্রতি সকল ধরনের বৈষম্য দূর করা, তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে তাদের সক্ষমতা ও নেতৃত্বের বিকাশকে উৎসাহিত করা, যা একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নির্মাণে সহায়তা করবে। আমরা কন্যা শিশুদের উন্নয়নের মাধ্যমে একটি সুস্থ ও সমৃদ্ধশালী সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন করতে চাই।
সভায় স্বগত বক্তব্যে উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার নাসরিন আকতার বলেন, যে কোনো কল্যাণ মূলক কাজ ও রাষ্টের উন্নয়নে এখন নারী-পুরুষের অবদান অনস্বীকার্য। লিঙ্গ বৈষম্য দূর করে কন্যা শিশুদের সুরক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিবছর জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালন করা হয়। এই দিবসকে মুলত: মেয়েদের দিনও বলা হয়।
অপর দিকে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সাবিহা সুলতানা ডলি বলেন , এমন একটা সময় ছিলো যখন কন্যা শিশুর ভুমিষ্ট এর চেয়ে পুত্র শিশু বেশি চাইত পিতা-মাতারা। তবে কন্যা শিশুদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি হওয়ার পর এখন মানুষের মনে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে শুরু করেছে। এখন অনেক পিতা মাতা রয়েছেন যারা কন্যা সন্তান চাচ্ছেন।
উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার সকল দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা বৃন্দ, সাংবাদিক ইমাম, শিক্ষক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।
সানশাইন /শামি