, , ।
ক্ষেতলাল প্রতিনিধি: জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল সদরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টা-পাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে মিজানুর রহমান চৌধুরী (৬০) গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষর ৩ আহত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও থানা সুত্রে জানা গেছে, ক্ষেতলাল সদরে দলিল লেখক (মহরি) সৈয়দ আলী মর্তুজা চৌধুরী রবিন ও মিজানুর রহমান চৌধুরী মাঝে পূর্বের জের ধরে গত শুক্রবার সকাল ৯টায় ক্ষেতলাল সাব রেজিস্ট্রার অফিসের সামনে কথা হচ্ছিল। এক পর্যায়ে রবিন চৌধুরী উত্তেজিত হয়ে মিজানুর রহমান চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করে। পরে মিজান চৌধুরী বাসায় গিয়ে তার স্ত্রী রোকসানা ও শেলক মাসুদকে নিয়ে ক্ষেতলাল সদর রাস্তায় মন্ডল ট্রেডার্সে এসে রবিন চৌধুরীর উপর হামলা চালায়। এতে সে আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় পরবর্তীতে উভয় পক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর ওই দিন সন্ধ্যায় ক্ষেতলাল সদর রাস্তা চিশতিয়া হোটেলের সামনে আবারও দুই পক্ষের দেখা হলে মিজানুর রহমান চৌধুরীর উপর রবিন চৌধুরী ও তার ছেলে হৃদয় চৌধুরী হামলা চালায় এবং মাথায় প্রচন্ড আঘাত পায়। এতে ঘটনাস্থলে সে গুরুতর আহত হয়।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করায়। এত করে মিজানুর চৌধুরীর শ্যালক মাছুদ চৌধুরী আহত হয়েছে।
সৈয়দ আলী মর্তুজা চৌধুরী রবিন বলেন, সামাজিক ভাবে হেউ প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে মিজানুর রহমান চৌধুরী আমাকে জড়িয়ে বিভিন্ন ধরণের অসামাজিক কথাবার্তা এলাকার লোজনের কাছে বলাবলি করে আসছে। এতে আমি প্রতিবাদ করলে আমার উপরে চড়াও হয় এবং হত্যার উদ্দ্যেশে এলাপাতারী ভাবে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে।
মিজানুর রহমান চৌধুরীর স্ত্রী রোকসানা বেগম বলেন, আমার স্বামী একজন সম্মানী ব্যাক্তি তাকে নিয়ে সমাজে বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে আসছে রবিন চৌধুরী। এই নিয়ে দুই জনের মধ্যে বেশকিছুদিন থেকে রেশারেশি চলছে। ঘটনার দিন আমার স্বামীকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে। সেখানে আমি বাধা দিতে গেলে আমাকে ধাক্কা দেওয়া দেয়।
ক্ষেতলাল থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল করিম বলেন, দুই পক্ষের মারামারির ঘটনায় পৃথক পৃথক সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। পরবর্তীতে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।