, , ।
বড়াইগ্রাম প্রতিনিধি: বড়াইগ্রামে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সালিশ বৈঠকে সংঘর্ষে মৎস্যজীবি দলের আহ্বায়ক সহ আটজন আহত হয়েছেন। এ সময় চারটি বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় সোমবার থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এর আগে রোববার রাতে উপজেলার বনপাড়া পৌরসভার মালিপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে মালিপাড়া গ্রামের আমিন উদ্দিনের ছেলে উপজেলা মৎস্যজীবি দলের আহ্বায়ক আবু হানিফ (৫৫), তার ছেলে শাহীন হোসেন (৩০), ভাই আফতাব উদ্দিন (৬৫) ও ভাবী মাজেদা বেগম (৬০), মমিন হোসেনের ছেলে বনপাড়া পৌর ছাত্রদলের সদস্য মিলন হোসেন (২৩) এবং বনপাড়া সরদারপাড়া মহল্লার শান্ত (২৮) কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া মালিপাড়া গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে আলমগীর হোসেন (৩৪) ও ইউনুস মুন্সীর ছেলে শাহরিয়ার (২০) কে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
জানা যায়, দুই বছর আগে মালিপাড়া গ্রামের মানিকের কাছ থেকে প্রতিবেশী আলমগীর হোসেন স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তিনামার ভিত্তিতে এক লাখ টাকা ধার নেয়। ছয় মাসের মধ্যে সে টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও আলমগীর তা দিতে পারেনি। এ নিয়ে উভয় পক্ষে উত্তেজনা দেখা দিলে রোববার রাতে বিষয়টি নিয়ে সালিশ ডাকা হয়। কিন্তু অমিমাংসিত অবস্থায় সালিশ বৈঠক শেষ হলে উভয় পক্ষে সংঘর্ষ বাধে।
এ সময় আবু হানিফ, আফতাবউদ্দিন, সুলতান আহমেদ ও ফজলুর রহমানের বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। পরে খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ব্যাপারে আহত আবু হানিফ জানান, আলমগীর ও তার লোকজন হামলা চালিয়ে আমাদের আহত করে। তারা আমার ও আমার ভাইসহ চারজনের বাড়ি ভাংচুর করে নগদ দুই লাখ ২০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারসহ বিভিন্ন মালামাল লুটে নেয়।
সংঘর্ষে আহত ছাত্রদল নেতা মিলন হোসেন বলেন, টাকাটা সুদের উপরে নেয়া ছিল। মুল টাকা পরিশোধ করা নিয়ে সালিশ বসলে তারাই হামলা করে আমাদের আহত করেছে। তাদের বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ সঠিক নয়।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম সারওয়ার হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আসামীদের আটকের চেষ্টা চলছে।