, , ।
নুরুজ্জামান,বাঘা :
সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং স্বাধীনতার ঘোষক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। সোমবার(২-জুন) দুপুরে রাজশাহীর বাঘা জিরো পয়েন্টের দক্ষিনে অবস্থিত একটি ক্লিনিকের সামনে উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র একাংশ-সহ সকল সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতা-কর্মীদের নিয়ে দোয়া, আলোচনা সভা ও দু:স্থদের মাঝে খাবার বিতরণ মধ্য দিয়ে এ দিবসটি পালন করা হয়।
এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি,জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও যুগ্ম সম্পাদক এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৬ চারঘাট-বাঘা থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী আনোয়ার হোসেন উজ্জল।
দুপুর সাড়ে ১২ টায় বাঘা জিরো পয়েন্টের দক্ষিনে অবস্থিত একটি আম বাগানে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন উজ্জল বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে। স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা। ক্ষমতায় থাকাকালীন জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়।
তিনি আরো বলেন, প্রতি বছর দিনটি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী হিসেবে পালন করে আসছে বিএনপি ও এর সকল সহযোগী সংগঠন। এ বছর এ উপলক্ষে টানা ৮ দিনের কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, পোস্টার ও বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ, কালো ব্যাজ ধারণ, কালো পতাকা উত্তোলন, জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দেওয়া ও ফাতেহা পাঠ-সহ দরিদ্রদের মধ্যে খাদ্য ও বস্ত্রসামগ্রী বিতরণ। আমি রাজশাহী জেলা সহ চারঘাট-বাঘায় যথাযথ মর্যদায় এ সকল কর্মসুচী পালন করেছি।
এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক জেলা যুবদলের সভাপতি ও বাঘা উপজেলা পরিষদের ভাইচ চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন।সাবেক বাঘা পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন খান, বিএনপি নেতা বাবুল ইসলাম, আশরাফুদৌল্লা, মুজিবুর রহমান জুয়েল,স্বপন সরকার-সহ আরো অনেকে।
এদিকে আলোচনা শেষে উক্ত দোয়া মাহফিলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফেরাত কামনা ও বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অত:পর উপস্থিত সকলের মাঝে প্যাকেট খাবার বিতারণ-সহ স্থানীয় মাদ্রাসা ও মসজিদে বিশেষ দোয়া এবং মোনাজাতের পর মুসল্লিদের মাঝে খাবার প্যাকেট বিতরণ করেন দলীয় নেতা-কের্মীরা।
সানশাইন / নুরুজ্জামান/শামি