, , ।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: “পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আয়কর দাখিলে সচেতনতাবৃদ্ধি ও জটিলতা নিরসন” বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে বৃহস্পতিবার। বিভাগীয় কার্যালয় পরিবার পরিকল্পনা, রাজশাহী এর আয়োজনে স্পেকট্রাম হলরুম, পরিবার পরিকল্পনা ভবনে ড. কস্তুরী আমিনা কুইন, পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা, রাজশাহী বিভাগ, রাজশাহী এঁর সভাপতিত্বে অত্যন্ত সফল ও প্রাণবন্তভাবে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।
আব্দুর রাজ্জাক, উপপরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা রাজশাহী, তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, কর প্রদান একটি নৈতিক বিষয়। আমাদের সকলকে করের আওতায় আসা বাধ্যতামূলক। এ সেমিনারটি আমাদেরকে কর প্রদানে উদ্বুদ্ধ করবে।। উক্ত সেমিনারে মুখ্য আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জনাব এস. এম. সাঈদ এরাকাত, উপ-কর কমিশনার, কর অঞ্চল রাজশাহী। তিনি অত্যন্ত চমৎকার ভাবে অনলাইন ও অফলাইন আয়কর দাখিল প্রক্রিয়া এবং পেপার প্রেজেন্ট করেন। তিনি অংশ গ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদানসহ আয়কর দাখিল বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও জটিলতা নিরসনে ভূমিকা রাখেন। অত্যন্ত সাবলীল ভাবে উদাহরণের মাধ্যমে আয়কর প্রদান বিষয়ক বিভিন্ন আইন-কানুনের ভিত্তিতে বাস্তব অবস্থা তুলে ধরেন। প্রধান অতিথি হিসেবে সেমিনারে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন জনাব মোঃ এনামুল হক, পরিচালক (অর্থ), পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, ঢাকা। মূল্যায়ন পর্বে উক্ত গুরুত্বপূর্ণ সেমিনারটি অত্যন্ত সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন ।
পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা, রাজশাহী মহোদয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী বিষয় নিয়ে সেমিনারটি আয়োজন করায় তিনি তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। ড. কস্তুরী আমিনা কুইন, পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা, রাজশাহী বিভাগ, রাজশাহী মহোদয় তার সমাপনী বক্তব্যে বলেন, আমরা বাংলাদেশের নাগরিক এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সে হিসাবে এ দেশকে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের। তাই আমরা সকলে নিজ দায়িত্বে কর প্রদান করবো, দেশ গড়ার কাজে অংগ্রহণ করবো। সঠিক নিয়মে কর প্রদানে এ সেমিনারটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি সবাইকে করের আওতায় এনে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ রাজশাহীকে একটি স্বচ্ছ, পরিচ্ছন্ন এবং জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর। উক্ত সেমিনারে রাজশাহী জেলার সহকারী পরিচালক (পরিবার পরিকল্পনা), সহকারী পরিচালক (সিসি), মেডিকেল অফিসার (সিসি) এবং রাজশাহী জেলার সকল উপজেলার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং মেডিকেল অফিসার(এমসিএইচ-এফপি)সহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।