বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
স্টাফ রিপোর্টার: মাটির তৈরি বিভিন্ন আকারের হাঁড়িতে শৈল্পিক কারুকার্য দেখে মন ছুঁয়ে যাবে যে কারো। প্রতি বছর বৈশাখে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়াগায় চাহিদা সখের হাাঁড়ির। রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা পৌরসভার বসন্তপুর গ্রামের সখের হাঁড়ি। ইতোমধ্যেই দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ক্রেতারা নিয়ে গেছে সখের হাঁড়ি।
বৈশাখ আসার আগেই ব্যস্ততা বাড়ে বসন্তুপুর গ্রামের কয়েকটি পরিবারের। শখের হাঁড়ি তৈরিতে সবাই ব্যস্ত। বৈশাখকে ঘিরে চাহিদা বাড়ে এ হাঁড়ির। ইতোমধ্যেই সব জায়গায় গেছে সখের হাাঁড়ি।
কারিগররা জানান, বৈশাখ আসলেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গার মানুষের। তারা কিনে দিয়ে যায় এসব হাাঁড়ি। কাজের চাপ বাড়ে। তবে, বৈশাখ শেষ হলে আর কোন বিশেষ কোন চাহিদা থাকে না।
শখের হাঁড়ির কারিগর মৃত্যুঞ্জয় কুমার পাল জানান, বৈশাখী মেলার আয়োজন নিয়ে তাদের ব্যস্ত থাকতে হয়। সারা দেশ থেকে ক্রেতারা আসেন সখের হাাঁড়ি কিনতে। ৪ পিসের শখের হাঁড়ি, ছোট পাতিল, সাজি, পঞ্চ সাজি, মাটির পুতুল, খেলনা এসব কিনে নিয়ে যায় ক্রেতারা।
পবা উপজেলার বসন্তপুর পালপাড়া গ্রামের আনন্দ কুমার পাল, অনেক আগে থেকেই দেখে আসছিল সখের হাঁড়ি। আগে অনেক পরিবারই এ কাজ করতো। এখন কারিগড়ের সংখ্যা কমছে। সৌখিন মানুষের কাছে সখের হাাঁড়ির চাহিদা আছে।