, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজের সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ বলেন- একসময় রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজের ছাত্রসংসদ ছিল ছাত্রদের সুখ-দুঃখ, বিপদ-আপদসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের আশ্রয়স্থল। সেই সময় এই ছাত্রসংসদে বসে আমরা কলেজের হোস্টেল, প্রশাসনিক ভবন ও উন্নয়নের দাবিতে আন্দোলন করেছিলাম।
কিন্তু বিগত ফ্যাসিবাদি শাসক খুনি শেখ হাসিনার আমলে ছাত্রলীগ দখল করে এই ছাত্রসংসদ নেশার আস্তানায় পরিণত করেছিল। এই ছাত্রসংসদ ছিল তাদের টর্চারসেল, এখানে নিরীহ ছাত্রদের অত্যাচার করা হতো। এমনকি জোরপূর্বক ছাত্রলীগে যোগ দেয়ার জন্য বাধ্য করা হতো। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) রাজশাহী সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত সাবেক ও বর্তমান ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলছেন তারা।
বক্তারা আরও বলেন, রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ ছিল ছাত্রদলের আদর্শের একটা কলেজ। বরাবরই এই কলেজে ছাত্রদল বিজয় লাভ করত। এই ছাত্রসংসদে ছাত্রদলের চরম শক্তিশালী একটা সংগঠন ছিল। সেই সময় আমরা ছাত্রসংসদের যে উন্নয়ন করেছিলাম, তা ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। এই সংসদকে যারা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তাদের কোনোভাবেই ক্ষমা করা হবে না। জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে ছাত্রদলের সাবেক এবং বর্তমান নেতৃবৃন্দকে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ ছাত্রদলের সাবেক নেতৃবৃন্দ জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজের সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমন এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজের সাবেক জিএস মো. গোলাম মোস্তফা মামুন। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন- মাহফুজুর রহমান রিটন, সাবেক ছাত্রদল নেতা তাজমুল তাজ টুটুল, ইথুন বাবু, নজরুল হুদা, জেলা বিএনপির সদস্য আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল, সাবেক ছাত্রদল নেতা শরিফুল ইসলাম জনি, মিলন হোসেন, মেহেদী হাসান ডলার, ফয়সাল সরকার ডিকো, ইলিয়াস সরকার, ফয়সাল আহমেদ সান্ত, সুলতান আহমেদ রনি, আকবর আলি জ্যাকি, সাবেক ভিপি সুইট ইসলাম, তাজমুল তান টুটুল, আসাদুজ্জামান জনি, রফিকুল ইসলাম রফিক, রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রফি।