, , ।
মহাদেবপুর প্রতিনিধি: মাহে রমজানে নিত্যপণ্যের বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য মহাদেবপুরের ইউএনও অভিনব পন্থা অবলম্বন করে প্রশংসিত হয়েছেন। লক্ষ্য করা গেছে বাজারের অন্যান্য পণ্যের মূল্য আগের মত থাকলেও ১ম রমজানের আগের দিনে থেকেই মহাদেবপুরের বিভিন্ন বাজারে সোনালী মুরগী ৩শ থেকে ৩২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে থাকে।
অবস্থা দৃষ্টে ৩ মার্চ সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুজ্জামান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের মূল ফটকে মুরগী ও ডিমের দোকান চালু করেন। ওই দোকানে মুরগীর দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে প্রতি কেজি ২৫০ টাকা এবং ৩০পিচ লাল মুরগীর ডিমের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে ২৯০ টাকা। নির্বাহী অফিসারের সহযোগিতায় ও প্রাণিসম্পদ অফিসারের নিয়ন্ত্রণে দোকানটি প্রতিদিন অফিস সময়ে খোলা থাকবে। এ দোকানে খামারীরা তাদের উৎপাদিত ডিম ও মুরগী নিজেরাই বিক্রি করছেন। প্রথম দিনেই প্রায় ১ হাজারের অধিক মুরগী বিক্রি করতে পেরে বিক্রেতা মহাখুশি হয়ে ইউএনও আরিফুজ্জামানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
অপরদিকে বাজার থেকে ইউএনও’র স্থাপিত দোকানে কম দামে মুরগী ও ডিম কিনতে পেরে সাধারণ ক্রেতারাও ইউএনও’র প্রশংসায় সরব।
তাছাড়াও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুজ্জামানের নেতৃত্বে দিনে দুপুরে বাজার মনিটরিং টিম উপজেলা সদরের বিভিন্ন বাজার তদারকি করেন। তদারকি টিমে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি রিফাত আরা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাহবুব হাসান চৌধুরী, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম সহ মহাদেবপুর থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। ইউএনও বাজার তদারকির সময় দোকানদারদের প্রথম দিন জরিমানা না করে সতর্ক করার ফলে বাজারের দোকানিরাও মহাদেবপুর ইউএনও’র প্রশংসা করেছেন।
এ সময় ইউএনও দোকানিদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন, আজকে যে সকল ত্রুটি বিচ্চুতি পরিলক্ষিত হল আগামী দিনে তা পাওয়া গেলে শাস্তির আওতায় আনা হবে। উল্লেখ্য, ইউএনও আরো বলেন, গোটা রমজান মাস জুড়েই বাজার তদারকি অব্যাহত থাকবে।