, , ।
নুরুজ্জামান, বাঘা:
রাজশাহীর বাঘায় মহাউৎসবের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হচ্ছে তারুণ্য, হস্তশিল্পী প্রদর্শনী ও পিঠা উৎসব মেলা। এই মেলায় উৎসবে মেতেছে তরুণ-তরুণী শিক্ষার্থীরা। যা দেখতে আসছেন আবাল, বৃদ্ধ, বনিতা। তবে শিক্ষার্থীদের বানানো বাঘার পিঠার স্বাদ কোনদিন ভুলবেন না বলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মি আক্তার।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত দু’দিন ব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা শেষে বুধবার (২২ জানুয়ারী) সকাল থেকে‘‘এসো দেশ বদলায়-পৃথিবী বদলায়’’ স্লোগানের মধ্য দিয়ে বাঘা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলার মানুষের প্রাচীন ও ঐতিহ্য পূর্ণ পিঠা উৎসব এবং হস্তশিল্প নিয়ে তারুণ্য মেলা। এ মেলার আয়োজন করেছেন বাঘা উপজেলা প্রশাসন। এতে অংশ নিয়েছেন রোভার স্কাউট-সহ বিভিন্ন স্কুলের তুরুণ শিক্ষার্থীরা। যা দেখতে আসছেন সকল পর্যায়ের মানুষ।
সকাল ১০ টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মি আক্তার এর সভাপতিত্বে ফিতা কেটে উক্ত মেলার শুভ উদ্বোধন করা হয়। এ সময় তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন, বাঘা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবিহা সুলতানা ডলি, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তফিকুল ইসলাম তফি, বাঘা প্রেস ক্লাবের আহবায়ক আব্দুল লতিফ মিয়া ও সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা সহ-স্থানীয় বিএনপির সহযোগী সংগঠনের কর্তৃবৃন্দ।
এ সকল অতিথিরা মেলায় বসানো ৩০টি স্টল পরিদর্শন শেষে স্কুলের বিজয় মঞ্চে গিয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। সেখানে শিক্ষার্থীদের নিয়েং একটি কুইজ প্রতিজোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সম্মানিত অতিথি বৃন্দ।
সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, বাঘায় তারুণ্য মেলায় উৎসবে মেতেছে তরুণরা । বিগত বছরের ন্যায় নতুন বছরের জানুয়ারি মাসজুড়ে চলবে এই ‘তারুণ্যের উৎসব’। সারাদেশে জেলা-উপজেলা , বিভাগ ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নানান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এটি পালিত হবে। মাসব্যাপী আয়োজনের উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠান মালার মধ্যে রয়েছে-জাতীয় পিঠা উৎসব ও লোকনাট্য উৎসব-সহ বর্ণিল অনুষ্ঠান মালা।
তিনি আরো বলেন, এই উৎসব তারুণ্যের শক্তি ও সৃজনশীলতা প্রকাশে একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও উদ্ভাবনী চেতনার বিকাশে সরকারের উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে। এ দিক থেকে বাঘার শিক্ষার্থীরা অনেক সুন্দর আয়োজন করেছে। তাদের নানা রকম মুখরোচক পিঠার স্বাদ কোনদিন ভুলবো না। আমি এ জন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।