, , ।
নলডাঙ্গা প্রতিনিধি: নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পুরোদমে চলছে পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও আঁশ ছাড়ানোর কাজ। অনুকূল আবহাওয়া এবং ভালো ফলনের কারণে কৃষকদের মধ্যে এইবছর স্বস্তি এসেছে। তারা এখন সোনালি আঁশ ঘরে তোলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ।
উপজেলার মাধনগর, খাজুরা, বাঁশিলা, মাধবপুর, ব্রহ্মপুরসহ বিভিন্ন গ্রামের মাঠে কৃষকদের দিনভর পাট কাটতে ও আঁশ সংগ্রহ করতে দেখা যায়। পাট কেটে জাগ দেওয়ার পর আঁশ ছাড়িয়ে তা পরিষ্কার করে রোদে শুকানো হচ্ছে। শুকিয়ে গেলে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পাটের ফলন ভালো হয়েছে। তবে উৎপাদন খরচ কিছুটা বেড়েছে। তারা আশা করছেন, বাজারে পাটের ন্যায্যমূল্য পেলে উৎপাদন খরচ উঠে আসবে এবং লাভও হবে। নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সবুজ আলী জানান, উপজেলায় এ বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়ছিল ১৬৫০ হেক্টর জমিতে আর উৎপাদন হয়েছে ১৬৭৫ হেক্টর জমিতে। কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, যাতে উন্নতমানের পাট উৎপাদন সম্ভব হয়। কৃষকদের প্রত্যাশা, সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করলে সোনালি আঁশের আবাদে আরও বেশি কৃষক আগ্রহী হবেন। দেশের ঐতিহ্যবাহী এ অর্থকরী ফসলের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে। এ বছর বিঘা প্রতি ফলন হয়েছে ৮ থেকে ১০ মণ। দাম পাচ্ছেন প্রতি মণে চার হাজার টাকা। বর্তমান বাজার মূল্য পেয়ে কৃষকেরা খুব খুশি।