সর্বশেষ সংবাদ :

নিত্যপণ্যের বাজার মূল্য ঊর্ধ্বমুখী

জাহাঙ্গীর আলম, চাটমোহর: উত্তরাঞ্চলের সর্বত্রই নিত্যপণ্যের বাজারে প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে প্রতিদিনের বাজার। সবজি থেকে মাছ, মাংস, ডিম সবকিছুরাই মূল্য ঊর্ধ্বমুখী। ক্রেতা সাধারণের আয়ের সাথে ব্যয়ে এখন নাভিশ্বাসে চলছে। ইতোমধ্যে ৩২০ টাকা কেজি, পার হয়ে গেছে কাঁচা মরিচ।
রাজশাহী ও পাবনার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গোল আলু ২৫ টাকা, বেগুন ১২০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, মিস্টি কুমড়া ৫০ টাকা, ধূমা ৫০ টাকা, ঝিঙে প্রতিকেজি ৮০ টাকা, ওল কচু ১০০ টাকা, পেঁয়াজ ৬০ টাকা, রসুন ১২০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, মূখি বা কুড়ি কচু প্রতিকেজি ৬০ টাকা। লেবু ৪০ টাকা, পেঁপে ৪৫ টাকা, শসা ৯০ টাকা, লাল শাক ৮০ টাকা, গাজর ১৮০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, ঢেড়স ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া প্রতিটি লাউ ৬০ টাকা, চাল কুমড়া ৪০ টাকা, কাঁচকলা ৪০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির ডিম ৬০ টাকা হালি, দেশী হাঁসের ডিম ৭০ টাকা হালি, ফার্মের মুরগির ডিম ৪৫ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে।
ব্রয়লার মুরগি ২৬০ টাকা, সোনালী কক ৩৪০ টাকা, লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দ্বারা বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির দাম কেজি ৫৫০ টাকা। খাসির মাংস ১৩’শ, গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
চলনবিলের দেশি মাছ ৮০০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চাষের মাছ প্রকারভেদে ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি।
ক্রেতা সাধারণ লাগামহীন নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় বাজার সিন্ডিকেটকে দায়ী করেছেন। কাঁচা তরকারি বিক্রেতা সালাম ও নুরুল জানান, বিরতিহীনভাবে বৃষ্টির কারণে সবজি ক্ষেত নষ্ট হওয়ার ফলে দাম কিছুটা বেড়েছে। সেপ্টেম্বর মাস থেকে তরকারির বাজার স্বাভাবিক হবে বলে তারা জানান।
চাটমোহর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোখলেছুর রহমান বিদ্যুৎ জানান, বন্যা এবং বৃষ্টির কারণে প্রতিবছর জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত কাঁচা তরকারির দাম বেড়ে যায়। আমরা বাজার স্থিতিশীল রাখতে কাজ করছি। কাঁচা বাজার ঊর্ধ্বমুখী হবার ব্যাপারে চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরী জানান, আমরা বাজার মনিটরিং করছি।


প্রকাশিত: July 31, 2026 | সময়: 4:21 am | সুমন শেখ

আরও খবর